বিশ্বকাপে সৌদি আরব প্রথমার্ধের শেষদিকে গোল করে দুবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন উরুগুয়েকে চাপে ফেলে দিয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত হাল ছাড়েনি দক্ষিণ আমেরিকার দলটি। ম্যাচের ৮০ মিনিটে মাক্সিমিলিয়ানো আরাউহোর গোলে সমতায় ফিরে উরুগুয়ে।
ম্যাচের শুরু থেকেই সৌদি আরবকে আত্মবিশ্বাসী ফুটবল খেলতে দেখা যায়। উরুগুয়ের তারকা-সমৃদ্ধ আক্রমণভাগকে নিয়ন্ত্রণে রাখার পাশাপাশি নিজেদের পরিকল্পনাও সফলভাবে বাস্তবায়ন করে।
প্রথমার্ধের ৪১ মিনিটে পুরস্কার আসে। কর্নার থেকে ভেসে আসা বলে গোলমুখে বিপজ্জনক পরিস্থিতির সৃষ্টি করেন হাসান আল তামবাকতি। তার নেওয়া শক্তিশালী হেড সামাল দিতে গিয়ে বড় ভুল করেন উরুগুয়ের অভিজ্ঞ গোলরক্ষক ফার্নান্দো মুসলেরা।
বল তার হাত ফসকে সামনে চলে গেলে সুযোগের অপেক্ষায় থাকা আবদুলেলাহ আল-আমরি কাছ থেকে বল জালে জড়িয়ে দেন। তাতেই ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় সৌদি আরব।
প্রথমার্ধের ধাক্কা কাটিয়ে দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণের তীব্রতা বাড়ায় উরুগুয়ে। একের পর এক আক্রমণে সৌদি রক্ষণে চাপ সৃষ্টি করতে থাকে তারা। শেষ পর্যন্ত সেই চেষ্টার সফল পরিণতি আসে ৮০ মিনিটে।
আক্রমণভাগের সমন্বিত প্রচেষ্টায় তৈরি হওয়া সুযোগ কাজে লাগিয়ে গোল করেন মাক্সিমিলিয়ানো আরাউহো। তার গোলে অবশেষে স্বস্তি ফিরে পায় দুবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ১-১ সমতায় ফেরার পর নতুন করে জয়ের আশায় ম্যাচের শেষ সময়ের দিকে এগিয়ে যায় উরুগুয়ে।বিশ্বকাপের মঞ্চে সৌদি আরবের চমক দেখানোর ইতিহাস অবশ্য নতুন নয়। ২০২২ কাতার বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেই তৎকালীন চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনাকে ২-১ গোলে হারিয়ে ফুটবল বিশ্বকে বিস্মিত করেছিল তারা।