ফ্রি–কিক থেকে ৬৪ মিনিটে চতুর্থ গোলটি করেছেন নাথান সালিবা। কাতারের জালে চতুর্থবার বল জড়ালো কানাডা। ফল কানাডা ৪-০ গোলে এগিয়ে কাতারের বিপক্ষে।
এর আগে বিরতির পর ম্যাচের ৫৩ মিনিটে দ্বিতীয় লাল কার্ড দেখে কাতার। কানাডার ইসমায়েল কোনেকে ফাউল করে এই লাল কার্ডটি দেখেন কাতারের আসিম মাদিবো। মাদিবোর ফাউলের কারণে পা ভেঙে মাঠ ছাড়েন কোনে।
২০২৬ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে প্রথমার্ধেই কাতারের বিপক্ষে স্বাগতিক কানাডা আধিপত্য বিস্তার করেছে।
ভ্যাঙ্কুভারের বিসি প্লেস স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে বিরতিতে ৩-০ গোলের বড় লিড নিয়ে মাঠ ছাড়ে কানাডিয়ানরা। দলের হয়ে দুটি গোল করেছেন জোনাথন ডেভিড, আর একটি গোল এসেছে কাইল লারিনের পা থেকে।
ম্যাচের শুরু থেকেই কানাডা আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে। এর ফলও পেয়ে যায় ২২তম মিনিটে। জোনাথন ডেভিডের জোরালো শট কাতারের গোলরক্ষক মাহমুদ আবুনাদা নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেননি। ফিরতি বলে দ্রুত শট নিয়ে জালে বল জড়ান কাইল লারিন।
চলতি বিশ্বকাপে এটি লারিনের দ্বিতীয় গোল। এর আগে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার বিপক্ষেও গোল করেছিলেন তিনি।
প্রথম গোলের ধাক্কা সামলে ওঠার আগেই দ্বিতীয়বার কাতারের জালে বল পাঠায় কানাডা। ম্যাচের ২৯তম মিনিটে দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন জোনাথন ডেভিড।
এরপর আরও বিপদে পড়ে কাতার, যখন ৩৭তম মিনিটে কানাডিয়ান ফরোয়ার্ড তাজন বুকানানকে বক্সের বাইরে ফাউল করেন হোমাম আহমেদ।
প্রথমে রেফারি পেনাল্টির সিদ্ধান্ত দিলেও ভিএআর পর্যালোচনার পর সেটি ফ্রি-কিকে পরিবর্তন করা হয়। তবে ফাউলের কারণে সরাসরি লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন হোমাম আহমেদ। ফলে ম্যাচের প্রায় এক ঘণ্টা বাকি থাকতেই ১০ জনের দলে পরিণত হয় কাতার।
সংখ্যাগত সুবিধা কাজে লাগিয়ে বিরতির আগেই আরও একবার আঘাত হানে কানাডা। নিজের দ্বিতীয় গোল করে দলের ৩-০ ব্যবধান নিশ্চিত করেন জোনাথন ডেভিড।