টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় আগেই নিশ্চিত হয়ে গেছে। এবার শেষ ম্যাচে বড় মঞ্চে নিজেদের সামর্থ্য দেখানোর সুযোগ ছিল বাংলাদেশের। যেখানে বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) ফিফা আসিয়ান কাপের গ্রুপ ‘এ’-এর শেষ ম্যাচে লাল-সবুজের প্রতিনিধিদের প্রতিপক্ষ ছিল স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়া। কিন্তু এই ম্যাচেও বড় হারের লজ্জাই যেন উঁকি দিচ্ছে বাংলাদেশ দলের জন্য। কেননা, ম্যাচের প্রথমার্ধের শেষেই যে ৬-১ গোলে পিছিয়ে পড়ে হামজা-শমিতরা।
জাকার্তার গেলারো বুং কার্নো স্টেডিয়ামে ম্যাচের ১১তম মিনিটেই গোল পেয়ে যায় ইন্দোনেশিয়া। ওলে রমনির ব্যাক পাস থেকে পাওয়া বল প্রথম স্পর্শেই জালে পাঠিয়েছেন মিচেল ব্যাকার। বাংলাদেশ গোলকিপার মেহেদী ঝাঁপিয়ে হাতই লাগাতে পেরেছেন শুধু। এরপর মনে হচ্ছিল সমতা হয়তো এনেই ফেলবে বাংলাদেশ। বিশেষ করে শাহরিয়ার ইমন যখন বাঁ দিক দিয়ে বল নিয়ে ঢুকে বল বাড়িয়েছিলেন ইন্দোনেশিয়ার বক্সে। দৌড়ে ভেতরে ঢোকা শমিত সোম অল্পের জন্য বল নিয়ন্ত্রণে নিতে পারেননি। ইন্দোনেশিয়ার ডিফেন্ডাররা বল বিপদমুক্ত করে মাঝমাঠে পাঠান।
সেই বল নিয়ে এগিয়ে গিয়ে দ্বিতীয় গোল পেয়ে গেছে ইন্দোনেশিয়া। প্রথম শট প্রতিহতই করেছেন বাংলাদেশ গোলকিপার। আবারও গোলমুখে ফিরলে ব্লক করেন জায়ান আহমেদ। তবে শেষ রক্ষা হয়নি। ১৯ মিনিটে জটলার মধ্য থেকে বল জালে পাঠিয়েছেন ব্যাকার। ইন্দোনেশিয়ার প্রথম দুটি গোলই করলেন যুক্তরাষ্ট্রের ইউএসএল লিগ টুতে খেলা এই ফরোয়ার্ড।
ম্যাচের সময় যখন ৩১ মিনিট তখন আরও একবার বাংলাদেশের জালে বল জড়ায় ইন্দোনেশিয়া। ম্যাচের প্রথমার্ধের শেষ দিকে ইন্দোনেশিয়ার জালে একবার বল জড়াতে সক্ষম হয় বাংলাদেশ। তবে এই গোলের উদযাপনের রেশ কাটতে না কাটতে আরও একবার সফরকারীদের জোলে বল জড়ায় ইন্দোনেশিয়া। ৪১ মিনিটে নিজেদের সমর্থকদের আরও একবার উৎসবের জোয়ারে ভাসায় ইন্দোনেশিয়া। প্রথমার্ধের ৪৫ মিনিটে পেনাল্টি থেকে দুর্দান্ত হেডে স্বাগতিক দল গোল করলে ম্যাচের ব্যবধান দাঁড়ায় ৬-১।