প্রথম ইনিংসে ১৪০ রানেই গুটিয়ে গেলো টাইগাররা

জিম্বাবুয়ে সফরের একমাত্র টেস্টে ব্যাটিংয়ে চরম ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে বাংলাদেশ। টসে হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে স্বাগতিক বোলারদের নিয়ন্ত্রিত ও ধারালো আক্রমণের সামনে মাত্র ৪৭.২ ওভারে ১৪০ রানেই অলআউট হয়েছে টাইগাররা। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টেস্ট ইতিহাসে এটি বাংলাদেশের তৃতীয় সর্বনিম্ন ইনিংস। এর আগে ২০০১ সালে একই প্রতিপক্ষের বিপক্ষে মাত্র ১০৭ রানে গুটিয়ে যাওয়াই ছিল বাংলাদেশের সর্বনিম্ন স্কোর।

ইনিংসের শুরু থেকেই একের পর এক ধাক্কা খেতে থাকে বাংলাদেশ। উদ্বোধনী ব্যাটার মাহমুদুল হাসান জয় ১৭ বলে মাত্র ২ রান করে ফিরে যান। অন্য প্রান্তে সাদমান ইসলাম কিছুটা প্রতিরোধের চেষ্টা করলেও ৩৮ বলে ২০ রান করে আউট হন। দলীয় ৩৬ রানেই দুই ওপেনারকে হারিয়ে বড় চাপে পড়ে সফরকারীরা।

এরপর মুমিনুল হক ও অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত তৃতীয় উইকেটে ৭৭ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়ে ইনিংস সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে সেই জুটিতে একমাত্র ইতিবাচক ব্যাটিং ছিল মুমিনুলের। তিনি ৮১ বলে ১২টি চারের সাহায্যে ৬০ রানের লড়াকু ইনিংস খেলেন। অন্যদিকে শান্ত দীর্ঘ সময় উইকেটে থাকলেও ৭৩ বলে করেন মাত্র ১৯ রান।

তবে দলীয় ১১৩ রানে মুমিনুল আউট হওয়ার পরই যেন ধসে পড়ে বাংলাদেশের পুরো ব্যাটিং লাইনআপ। এরপর মাত্র ২৭ রান যোগ করতেই শেষ সাত উইকেট হারায় টাইগাররা। মুশফিকুর রহিম করেন ৯ রান, তাওহিদ হৃদয় ৩, অভিষিক্ত উইকেটরক্ষক অমিত হাসান ৪ এবং তাইজুল ইসলাম ৯ রান করেন। হাসান মাহমুদ ও খালেদ আহমেদ কোনো রান না করেই সাজঘরে ফেরেন। এবাদত হোসেন অপরাজিত থাকেন শূন্য রানে। অতিরিক্ত থেকেই আসে ১৪ রান।

বল হাতে জিম্বাবুয়ের হয়ে সবচেয়ে সফল ছিলেন নিউম্যান নিয়ামহুরি। তিনি ১২.২ ওভারে ৬১ রান খরচায় শিকার করেন ৪টি উইকেট। এছাড়া রিচার্ড এনগারাভা ১০ ওভারে ১৮ রান দিয়ে ২টি, ব্লেসিং মুজারাবানি ১৫ ওভারে মাত্র ১৯ রান দিয়ে ২টি এবং ব্র্যাড ইভান্স ১০ ওভারে ৩০ রান দিয়ে আরও ২টি উইকেট তুলে নিয়ে বাংলাদেশের ইনিংসের সমাপ্তি টানেন।