চলমান ধর্ষণ মামলার কারণে ঘানার অধিনায়ক থমাস পার্টেকে কানাডায় প্রবেশের অনুমতি না দেওয়ায় কূটনৈতিক অঙ্গনে নতুন উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। ঘানা সরকার কানাডার এই সিদ্ধান্তকে ‘চরম অন্যায্য’ ও ‘কর্তৃত্ববাদী’ আখ্যা দিয়ে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলেছে।
সাবেক আর্সেনাল মিডফিল্ডারের বিরুদ্ধে লন্ডনের মেট্রোপলিটন পুলিশ সাতটি ধর্ষণ এবং একটি যৌন নিপীড়নের অভিযোগে মামলা দায়ের করেছে। এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতেই কানাডীয় কর্তৃপক্ষ তাকে দেশে প্রবেশে বাধা দেয় বলে জানা গেছে। ফলে আগামী বৃহস্পতিবার (১৭ জুন) পানামার বিপক্ষে ঘানার বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে তার অংশগ্রহণ অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। তবে বর্তমানে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে দলের সঙ্গেই অবস্থান করছেন।
ঘানার ক্রীড়ামন্ত্রী কোফি অ্যাডামসের দাবি, আদালতে বিচার শুরুর আগেই শুধু অভিযোগের ভিত্তিতে একজন খেলোয়াড়কে ভিসা না দেওয়া একটি বিপজ্জনক নজির। তার ভাষায়, পার্টে এখনও ইংল্যান্ডে স্বাধীনভাবে বসবাস ও কাজ করছেন, তাই তাকে কানাডায় প্রবেশে বাধা দেওয়ার যৌক্তিকতা প্রশ্নবিদ্ধ।
অন্যদিকে কানাডীয় কর্তৃপক্ষ ও ফিফা এ বিষয়ে নিজেদের অবস্থান থেকে সরে আসার কোনো ইঙ্গিত দেয়নি। বিশ্বকাপের গ্রুপ ‘এল’-এ ঘানার বাকি ম্যাচগুলো যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত হলেও দল নকআউট পর্বে উঠলে ২ জুলাই টরন্টোতে খেলার সম্ভাবনা রয়েছে। সেক্ষেত্রে পার্টেকে ঘিরে জটিলতা আরও বাড়তে পারে।
ঘানার বিশ্বকাপ প্রস্তুতির গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এই ঘটনাকে বড় ধাক্কা হিসেবেই দেখা হচ্ছে। দলের অধিনায়কের অনিশ্চিত পরিস্থিতি মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি কূটনৈতিক পর্যায়েও নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।