পরিসংখ্যানের আয়নায় বিশ্বকাপের প্রথম অধ্যায় 

২০২৬ বিশ্বকাপের প্রথম রাউন্ড শেষ হতেই পরিসংখ্যানের খাতায় ফুটে উঠেছে বেশ কিছু চমকপ্রদ তথ্য। এখন পর্যন্ত ২৪ ম্যাচে হয়েছে ৭৫ গোল, ম্যাচপ্রতি গোলের গড় ৩.১২৫। ১৯৫৮ সালের পর প্রথম রাউন্ড শেষে এত বেশি গোলের গড় আর দেখা যায়নি। একই সঙ্গে ২৪ ম্যাচের ৯টিই ড্র হওয়ায় প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ লড়াইয়ের ছবিও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

গোলদাতাদের তালিকায় আপাতত শীর্ষে আছেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসি। আলজেরিয়ার বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করে তিনি বিশ্বকাপে নিজের গোলসংখ্যা ১৬-তে নিয়ে গেছেন। দুই গোল করে তার পেছনে রয়েছেন হ্যারি কেইন, কিলিয়ান এমবাপ্পে, এরলিং হলান্ডসহ আরও কয়েকজন।

শট নেওয়ার দিক থেকে সবার ওপরে আছেন আর্দা গুলার। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিনি ৮টি শট নিলেও গোলের দেখা পাননি। অন্যদিকে ৭ শট থেকে ২ গোল করেছেন কেইন, আর ৬ শটেই ৩ গোল করেছেন মেসি।

সৃজনশীলতায় সবচেয়ে উজ্জ্বল ছিলেন পেদ্রি। কেপ ভার্দের বিপক্ষে তিনি সবচেয়ে বেশি প্রত্যাশিত অ্যাসিস্টের রেকর্ড গড়েছেন। একই ম্যাচে প্রতিপক্ষের আক্রমণভাগে ছয়বার বলও কেড়ে নিয়েছেন তিনি।

ড্রিবলিংয়ে সবার নজর কেড়েছেন আইভরি কোস্টের আমাদ দিয়ালো। বদলি হিসেবে মাত্র ৩৪ মিনিট খেলেও বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি সফল ড্রিবল সম্পন্ন করেছেন তিনি। বিপরীতে ব্রাজিলের ভিনিসিয়ুস জুনিয়র মরক্কোর বিপক্ষে ৯ বার ড্রিবলের চেষ্টা করেও একবারও সফল হতে পারেননি।

ব্যক্তিগত দ্বৈরথে সবচেয়ে সফল ছিলেন পানামার জিওভানি রামোস এবং সেনেগালের ক্রেপিন দিয়াতা। আর বল বাতাসে ভাসার  লড়াইয়ে ছিলেন একেবারে নিখুঁত জোভো লুকিচ, যিনি কানাডার বিপক্ষে নয়টি এরিয়াল ডুয়েলের সবকটিতেই জয় পেয়েছেন।

প্রথম রাউন্ডের পরিসংখ্যান বলছে, বিশ্বকাপের মঞ্চে তারকারা যেমন জ্বলে উঠছেন, তেমনি নতুন কয়েকটি নামও নিজেদের উপস্থিতি জোরালোভাবে জানান দিতে শুরু করেছে। সূত্র: বিবিসি