ইউরোপসেরা কেইনের হাতে উঠল সোনার বুট

মিউনিখের অ্যালিয়ানৎস অ্যারেনায় বায়ার্ন মিউনিখের জাদুঘরে বসেছিল জমকালো এক আয়োজন। সেখানেই ইউরোপীয় লিগগুলোর সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে হ্যারি কেইনের হাতে তুলে দেওয়া হলো ২০২৫-২৬ মৌসুমের সোনার বুট। বুন্দেসলিগায় ৩১ ম্যাচে ৩৬ গোল করে চ্যাম্পিয়ন বায়ার্নকে শিরোপা এনে দেওয়ার পাশাপাশি ব্যক্তিগত এই সম্মানও নিজের করে নিলেন ইংলিশ তারকা।

অনুষ্ঠানে কেইনের পাশে ছিলেন বায়ার্নের প্রধান নির্বাহী ক্রিশ্চিয়ান ড্রিসেন, বুন্দেসলিগার প্রেসিডেন্ট মার্ক লেনৎস এবং সোনার বুটজয়ী তারকা লুকা তোনি, যিনি পুরস্কারদাতা প্রতিষ্ঠান ইউরোপিয়ান স্পোর্ট মিডিয়ার (ইএসএম) প্রতিনিধি হিসেবে হাজির ছিলেন সেখানে।

পুরস্কার হাতে নিয়ে কেইন বলেন, ‘বায়ার্ন, ক্লাবের স্টাফ, কোচ আর সতীর্থদের ধন্যবাদ জানাতে চাই। তাদের ছাড়া আজকের এই জায়গায় পৌঁছানো সম্ভব হতো না। এমন একটা পুরস্কারের পেছনে অনেক পরিশ্রম লুকিয়ে থাকে। আমি সবসময় দলের জন্য সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করি। গত মৌসুমটা ছিল অসাধারণ, আমার ক্যারিয়ারের সেরা মৌসুম বলা যায়। বায়ার্নে এবং এই দলের সঙ্গে আমি দারুণ স্বচ্ছন্দ বোধ করি। আমরা সবসময় বড় কিছুর লক্ষ্যেই এগোই, আর এবারও সেই লক্ষ্যেই ছুটতে চাই।’

এটি কেইনের ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সোনার বুট। এর আগে ২০২৩-২৪ মৌসুমেও বায়ার্নের জার্সিতে এই পুরস্কার জিতেছিলেন তিনি। ৩৩ বছর বয়সী এই স্ট্রাইকার এবার তাকিয়ে আছেন তৃতীয় শিরোপার দিকে, যা তাকে নিয়ে যাবে এক অভিজাত তালিকায়। কারণ সোনার বুটের ইতিহাসে দুইয়ের বেশি এই পুরস্কার জেতা খেলোয়াড় মাত্র দুজন-লিওনেল মেসি ছয়বার আর ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো চারবার এই সম্মান পেয়েছেন। কেইনসহ মোট ১১ জন ফুটবলারের নামের পাশে রয়েছে দুটি করে সোনার বুট।

সোনার বুট মূলত একটি সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ পুরস্কার, কোনো বিচারকের রায় নয়। ইউরোপের নামকরা সংবাদমাধ্যমগুলোর সংগঠন ইএসএম এই পুরস্কার দেয়, যার স্প্যানিশ সদস্য মার্কা নিজেই। ১৯৯৬-৯৭ মৌসুম থেকে চালু হওয়া এই পুরস্কারের নিয়ম অনুযায়ী, শীর্ষ ইউরোপীয় লিগগুলোর প্রতিটি গোলের জন্য দুই পয়েন্ট ধরা হয়, যেখানে তুলনামূলক দুর্বল লিগগুলোতে প্রতি গোলের মূল্য দেড় বা এক পয়েন্ট।

২০২৫-২৬ মৌসুমে ৩৬ গোল নিয়ে সবার ওপরে থাকা কেইনের পেছনে ছিলেন ম্যানচেস্টার সিটির আরলিং হলান্ড, যিনি ২৬ গোল করে জিতেছেন রুপালি বুট। আর রিয়াল মাদ্রিদের কিলিয়ান এমবাপে ২৫ গোল করে পেয়েছেন ব্রোঞ্জ বুট।মিউনিখের অ্যালিয়ানৎস অ্যারেনায় বায়ার্ন মিউনিখের জাদুঘরে বসেছিল জমকালো এক আয়োজন। সেখানেই ইউরোপীয় লিগগুলোর সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে হ্যারি কেইনের হাতে তুলে দেওয়া হলো ২০২৫-২৬ মৌসুমের সোনার বুট। বুন্দেসলিগায় ৩১ ম্যাচে ৩৬ গোল করে চ্যাম্পিয়ন বায়ার্নকে শিরোপা এনে দেওয়ার পাশাপাশি ব্যক্তিগত এই সম্মানও নিজের করে নিলেন ইংলিশ তারকা।

অনুষ্ঠানে কেইনের পাশে ছিলেন বায়ার্নের প্রধান নির্বাহী ক্রিশ্চিয়ান ড্রিসেন, বুন্দেসলিগার প্রেসিডেন্ট মার্ক লেনৎস এবং সোনার বুটজয়ী তারকা লুকা তোনি, যিনি পুরস্কারদাতা প্রতিষ্ঠান ইউরোপিয়ান স্পোর্ট মিডিয়ার (ইএসএম) প্রতিনিধি হিসেবে হাজির ছিলেন সেখানে।

পুরস্কার হাতে নিয়ে কেইন বলেন, ‘বায়ার্ন, ক্লাবের স্টাফ, কোচ আর সতীর্থদের ধন্যবাদ জানাতে চাই। তাদের ছাড়া আজকের এই জায়গায় পৌঁছানো সম্ভব হতো না। এমন একটা পুরস্কারের পেছনে অনেক পরিশ্রম লুকিয়ে থাকে। আমি সবসময় দলের জন্য সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করি। গত মৌসুমটা ছিল অসাধারণ, আমার ক্যারিয়ারের সেরা মৌসুম বলা যায়। বায়ার্নে এবং এই দলের সঙ্গে আমি দারুণ স্বচ্ছন্দ বোধ করি। আমরা সবসময় বড় কিছুর লক্ষ্যেই এগোই, আর এবারও সেই লক্ষ্যেই ছুটতে চাই।’

এটি কেইনের ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সোনার বুট। এর আগে ২০২৩-২৪ মৌসুমেও বায়ার্নের জার্সিতে এই পুরস্কার জিতেছিলেন তিনি। ৩৩ বছর বয়সী এই স্ট্রাইকার এবার তাকিয়ে আছেন তৃতীয় শিরোপার দিকে, যা তাকে নিয়ে যাবে এক অভিজাত তালিকায়। কারণ সোনার বুটের ইতিহাসে দুইয়ের বেশি এই পুরস্কার জেতা খেলোয়াড় মাত্র দুজন-লিওনেল মেসি ছয়বার আর ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো চারবার এই সম্মান পেয়েছেন। কেইনসহ মোট ১১ জন ফুটবলারের নামের পাশে রয়েছে দুটি করে সোনার বুট।

সোনার বুট মূলত একটি সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ পুরস্কার, কোনো বিচারকের রায় নয়। ইউরোপের নামকরা সংবাদমাধ্যমগুলোর সংগঠন ইএসএম এই পুরস্কার দেয়, যার স্প্যানিশ সদস্য মার্কা নিজেই। ১৯৯৬-৯৭ মৌসুম থেকে চালু হওয়া এই পুরস্কারের নিয়ম অনুযায়ী, শীর্ষ ইউরোপীয় লিগগুলোর প্রতিটি গোলের জন্য দুই পয়েন্ট ধরা হয়, যেখানে তুলনামূলক দুর্বল লিগগুলোতে প্রতি গোলের মূল্য দেড় বা এক পয়েন্ট।

২০২৫-২৬ মৌসুমে ৩৬ গোল নিয়ে সবার ওপরে থাকা কেইনের পেছনে ছিলেন ম্যানচেস্টার সিটির আরলিং হলান্ড, যিনি ২৬ গোল করে জিতেছেন রুপালি বুট। আর রিয়াল মাদ্রিদের কিলিয়ান এমবাপে ২৫ গোল করে পেয়েছেন ব্রোঞ্জ বুট।