২০২৩ সালের ১১ ডিসেম্বর তুরস্কের লিগ ম্যাচের পর রেফারিকে শারীরিক আক্রমণ করার ঘটনায় বড় শাস্তি পেয়েছেন আঙ্কারাগুজু সাবেক সভাপতি ফারুক কোকা। তাকে সাড়ে তিন বছরের বেশি সময়ের কারাদণ্ড দিয়েছে তুরস্কের একটি আদালত।
অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছিল তুর্কি সুপার লিগে সায়কুর রিজেস্পোরের বিপক্ষ ম্যাচে আঙ্কারাগুজু ১-১ ড্র করে। দ্বিতীয়ার্ধের যোগ করা সময়ের গোলে সমতা ফেরায় রিজেস্পোর। শেষ বাঁশি বাজার পরই মাঠে ছুটে গিয়ে রেফারি হালিল উমুত মেলারের মুখে ঘুষি মারেন কোকা। আঙ্কারাগুজুর সভাপতির পাশাপাশি আরও অনেকের আঘাতে মাটিতে লুটিয়ে পড়লে রেফারি মেলারকে লাথিও মারা হয়।
রেফারিকে তখন উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং তার চোখের কাছে ছোট্ট চিড় ধরা পড়েছিল।
ঘটনাটি বিশ্বব্যাপী ক্ষোভের সৃষ্টি করেছিল এবং লিগের সকল ম্যাচ কয়েক সপ্তাহের জন্য স্থগিত করে দিয়েছিল তুর্কি ফুটবল ফেডারেশন।
‘ইচ্ছাকৃতভাবে একজন অফিসিয়ালকে আহত করার’ জন্য সোমবার (১১ নভেম্বর) আংকারার আদালত ফারুক কোকাকে দোষী সাব্যস্ত করে ৩ বছর ৭ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছে।
রেফারিকে হুমকি এবং খেলাধুলায় সহিংসতা প্রতিরোধে করা আইন লঙ্ঘন করার জন্যও তাকে দোষী সাব্যস্ত করেছে আদালত। রেফারিকে আক্রমণ করার দায়ে আরও তিন জন বিচারাধীন ছিলেন, তাদের এক থেকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
ওই ঘটনার পর ক্লাব সভাপতির পদ থেকে পদত্যাগ করা কোকা আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। গত বছর অল্প সময় জেলে থাকার পর জামিনে মুক্তি পান তিনি। আঙ্কারাগুজুরকে ২০ লাখ তুর্কি লিরা জরিমানা করার পাশাপাশি তাদের পাঁচটি হোম ম্যাচ দর্শকশূন্য মাঠে খেলতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।