ইরানের নারী ফুটবল দলকে আশ্রয় দিতে চাইলেন ট্রাম্প

জাতীয় সংগীত নিয়ে প্রতিবাদের পর ইরানি নারী ফুটবল দল হত্যার শিকার হতে পারে বলে অভিযোগ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এজন্য তিনি দেশের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করা দলটিকে সতর্ক থাকতে বলেছেন এবং যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক আশ্রয়ের প্রস্তাব দিয়েছেন।

সম্প্রতি নিজের দেশের জাতীয় সংগীত গাইতে অস্বীকৃতি জানানোর পর আলোচনায় আসেন ইরানের এই নারী খেলোয়াড়রা।  তারা দেশে ফিরলে তাদের মৃত্যুদণ্ডের ঝুঁকি থাকতে পারে বলে সতর্ক করেছেন ট্রাম্প। 

অস্ট্রেলিয়া এই দলটিকে সুরক্ষা দেওয়ার আহ্বানের সম্মুখীন হলেও মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেছেন, অস্ট্রেলিয়া তা না করলে তিনি নিজে হস্তক্ষেপ করবেন। 

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে হামলা শুরু করেন ট্রাম্প। যার কারণে দেশটির সর্বোচ্চ নেতা নিহত হন এবং পুরো অঞ্চলে সংঘাত ছড়িয়ে পড়েছে।

বিকেলে ট্রুথ সোশ্যালে তিনি লেখেন, ‘ইরান জাতীয় নারী ফুটবল দলকে ইরানে ফিরে যেতে বাধ্য করার মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়া একটি ভয়াবহ মানবিক ভুল করছে, সেখানে গেলে সম্ভবত তাদের মেরে ফেলা হবে।’

তিনি আরও যোগ করেন, ‘মিস্টার প্রাইম মিনিস্টার, এমনটা করবেন না, তাদের আশ্রয় দিন। আপনারা না দিলে যুক্তরাষ্ট্র তাদের গ্রহণ করবে।’

এর আগে গত ২ মার্চ দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে তাদের প্রথম ম্যাচের আগে দলটি জাতীয় সংগীত গাইতে অস্বীকৃতি জানানোর পর থেকেই এই উদ্বেগের সৃষ্টি হয়। 

যদিও খেলোয়াড়রা পরবর্তী দুটি ম্যাচে জাতীয় সংগীত গেয়েছেন, তবে ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের মতে তাদের প্রাথমিক অবাধ্যতার ঘটনাটি ছিল ‘অসম্মানের চূড়ান্ত’ ধাপ। 

অস্ট্রেলিয়া সরকারের কাছে এক মরিয়া আর্তিতে মূলত ইরানিদের সমন্বয়ে গঠিত জনতা ‘আমাদের মেয়েদের বাঁচাও!’ বলে স্লোগান দেয়। এ সময় তাদের হাতে ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের আগের সরকারি পতাকা অর্থাৎ সাম্রাজ্যবাদী ইরানের একাধিক পতাকা দেখা যায়। সূত্র: দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট।