যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের কোনো ‘বাস্তবসম্মত লক্ষ্য’ নেই: ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি যুক্তরাষ্ট্রের সম্প্রচার মাধ্যম পিবিএস নিউজকে চলমান যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল বনাম ইরান যুদ্ধ নিয়ে সোমবার গভীর রাতে একটি বিস্তৃত সাক্ষাৎকার দেন। সেখানে তার বক্তব্যের মূল পয়েন্টগুলো হলো:

 

মোজতবা খামেনির নিয়োগ — আরাঘচি বলেন, আলী খামেনির ছেলেকে নিয়োগ দেওয়ায় তার পিতার শাসনব্যবস্থার “ধারাবাহিকতা” রক্ষা হবে এবং একই সঙ্গে “কিছুটা স্থিতিশীলতাও” এনে দেবে।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা — যুদ্ধ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ হয়েছে কি না—এমন প্রশ্নে আরাঘচি বলেন, তিনি বিশ্বাস করেন না যে এই সুযোগ আসবে, কারণ ইরানের “আমেরিকানদের সঙ্গে কথা বলার খুব তিক্ত অভিজ্ঞতা” রয়েছে।

মার্কিন-ইসরায়েলি লক্ষ্য — আরাঘচির মতে, “আমি মনে করি না তাদের মাথায় কোনো বাস্তবসম্মত শেষ লক্ষ্য রয়েছে”। তিনি যোগ করেন, এখন পর্যন্ত তারা তাদের সব লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে বলে তিনি মনে করেন।

তেলের দাম — আরাঘচি বলেন, তেলের দাম বৃদ্ধি “আমাদের দোষ নয়”; তিনি এর জন্য “ইসরায়েলি ও আমেরিকানদের ইরানের বিরুদ্ধে হামলা ও আগ্রাসন”কে দায়ী করেন। তিনি আরও বলেন, ইরান “হরমুজ প্রণালী বন্ধ করেনি” এবং “আমরা কাউকে ওই প্রণালিতে চলাচল থেকে বিরত করছি না”।

নাগরিক হতাহতের বিষয় — ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ইরানি হামলায় “কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া” হয়েছে, তবে তিনি দাবি করেন, ইরান “কোনো বেসামরিক স্থাপনা, কোনো বেসামরিক লক্ষ্য বা কোনো বেসামরিক স্থানে কখনো ইচ্ছাকৃতভাবে হামলা করেনি”।