মধ্যপ্রাচ্যে আরও সেনা পাঠাচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন

ইরানের সঙ্গে যখন কূটনৈতিক আলোচনার পথ খুঁজছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন, ঠিক সেই মুহূর্তে মধ্যপ্রাচ্যে নিজেদের সামরিক শক্তি আরও বৃদ্ধির পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে অঞ্চলটিতে আরও কয়েক হাজার অতিরিক্ত মার্কিন সেনা পাঠানো হচ্ছে।

মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক যুক্তরাষ্ট্রের দুজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা।

ওই কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্যমতে, যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষায়িত ‘৮২তম এয়ারবর্ন ডিভিশন’-এর কয়েক হাজার সদস্যকে মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েনের জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে। তবে কৌশলগত কারণে এই সেনাদের ঠিক কোন দেশে মোতায়েন করা হবে কিংবা তারা কবে নাগাদ গন্তব্যে পৌঁছাবে, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। মূলত ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনা ও সম্ভাব্য নিরাপত্তা ঝুঁকি মোকাবিলায় এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে মার্কিন সামরিক বাহিনীর (পেন্টাগন) সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা বিষয়টি নিয়ে সরাসরি মন্তব্য না করে হোয়াইট হাউসের সঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দেয়। তবে হোয়াইট হাউস থেকেও এখন পর্যন্ত এই সেনা মোতায়েনের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, একদিকে আলোচনার প্রস্তাব এবং অন্যদিকে সামরিক শক্তি বৃদ্ধি—যুক্তরাষ্ট্রের এই দ্বিমুখী অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। বিশেষ করে ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান ছায়াযুদ্ধ যখন সরাসরি সংঘাতের দিকে মোড় নিচ্ছে, তখন এই অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন অঞ্চলটির অস্থিরতাকে আরও উসকে দিতে পারে।