ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি দেশের পরমাণু স্থাপনায় ইসরায়েলের হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেছেন, এই ‘অপরাধের’ জন্য ইসরায়েলকে চড়া মূল্য দিতে হবে।
শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি জানিয়েছে, শুক্রবার ইরানের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পরমাণু স্থাপনায় হামলা চালায় ইসরায়েল। লক্ষ্যবস্তুগুলোর মধ্যে একটি ইউরেনিয়াম উৎপাদনকেন্দ্র এবং ভারী পানির একটি চুল্লি ছিল। এছাড়া ইসফাহানে দুটি ইস্পাত কারখানায়ও হামলার খবর পাওয়া গেছে।
আরাগচি তার পোস্টে দাবি করেন, ইসরায়েল এই হামলা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমন্বয় করেই চালিয়েছে। তিনি বলেন, ইরানে হামলার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যে সময়সীমা বাড়ানোর কথা বলেছেন, তার সঙ্গে ইসরায়েলের এই পদক্ষেপ সাংঘর্ষিক।
তিনি আরও হুঁশিয়ার করে বলেন, এই হামলার জন্য ইসরায়েলের কাছ থেকে ‘চড়া মূল্য’ আদায় করবে ইরান।
এদিকে এই হামলা এমন সময় হলো, যখন ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন—ইরান যদি হরমুজ প্রণালী খুলে দেয়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের জ্বালানি স্থাপনায় হামলার পরিকল্পনা কিছুটা স্থগিত রাখতে পারে।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকেই হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে, যা বিশ্ব জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের প্রভাব ফেলছে।