ইরানকে কেন্দ্র করে চলমান যুদ্ধের দামামা এবার ইউরোপের জ্বালানিকে বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের এই সংঘাতের প্রভাবে আগামী শীত মৌসুমে মহাদেশটিতে নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহ বজায় থাকবে কি না, তা নিয়ে গভীর অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। জ্বালানি সংকটের এই কালো মেঘ পুরো ইউরোপজুড়ে এক ভয়াবহ পরিস্থিতির শঙ্কা জাগিয়ে তুলছে।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) সুইজারল্যান্ডের বিদ্যুৎ সংস্থা সুইস ফেডারেল ইলেকট্রিসিটি কমিশন এক বিবৃতিতে বলেছে, পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে এর প্রভাব গোটা ইউরোপ ও সুইজারল্যান্ডের বিদ্যুৎ সরবরাহের ওপর পড়তে পারে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের চলমান যুদ্ধে হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পারস্য উপসাগরে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হয়েছে। এর ফলে ২০২২ সালের ইউক্রেন যুদ্ধের পর তেলের দাম সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।
বিশেষজ্ঞরা আগেই সতর্ক করেছিলেন, ইরান যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন চলতে থাকলে কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই জ্বালানি সংকট দেখা দিতে পারে।
এদিকে, ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সি সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, বিকল্প উৎস থেকে দ্রুত জ্বালানি আমদানি না বাড়ালে চলতি বছরের জুনের মধ্যেই পুরো ইউরোপে জ্বালানি সংকট তৈরি হতে পারে। সূত্র: বিবিসি।