ইরানের সামরিক কার্যক্রমে সহায়তা করার অভিযোগে চীনের তিনটি প্রতিষ্ঠানের ওপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক নিষেধাজ্ঞার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে বেইজিং। এই পদক্ষেপকে ‘অবৈধ ও একতরফা’ অভিহিত করে এর কঠোর বিরোধিতা করেছে চীন।
সোমবার (১১ মে) চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে মুখপাত্র গুয়ো জিয়াকুন এ বিষয়ে বেইজিংয়ের অবস্থান পরিষ্কার করেন।
মুখপাত্র গুয়ো জিয়াকুন বলেন, ‘আমরা সবসময়ই চীনা প্রতিষ্ঠানগুলোকে আন্তর্জাতিক আইন এবং সংশ্লিষ্ট নীতিমালা মেনে ব্যবসা পরিচালনা করার নির্দেশ দিয়ে আসছি। মার্কিন এই পদক্ষেপের কোনো আইনি ভিত্তি নেই। আমরা আমাদের প্রতিষ্ঠানগুলোর বৈধ অধিকার ও স্বার্থ রক্ষায় দৃঢ় অবস্থানে থাকব এবং প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ গ্রহণ করব।’
নিষেধাজ্ঞার চেয়ে বর্তমান সংঘাতময় পরিস্থিতিতে শান্তি ফেরানোকে বেশি গুরুত্ব দেওয়ার তাগিদ দিয়ে তিনি আরও যোগ করেন, ‘এই মুহূর্তে বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক প্রেক্ষাপটে সবচেয়ে বড় অগ্রাধিকার হওয়া উচিত যেকোনো উপায়ে পুনরায় যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়া রোধ করা। যুদ্ধকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে অন্য দেশের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার চালানো বা নতুন করে বিদ্বেষমূলক সম্পর্ক তৈরি করা কোনো দায়িত্বশীল রাষ্ট্রের কাজ হতে পারে না।’
গত কয়েক মাস ধরে মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও মার্কিন-ইসরায়েলি জোটের মধ্যকার উত্তেজনার জেরে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক সম্পর্ক নতুন করে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। বেইজিং মনে করে, যুক্তরাষ্ট্র রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে চীনা কোম্পানিগুলোকে লক্ষ্যবস্তু বানাচ্ছে। সূত্র: আল-জাজিরা