সৌদি আরবে ড্রোন হামলা, কুয়েত ও কাতারের নিন্দা

ইরাকের আকাশসীমা থেকে সৌদি আরবে ড্রোন হামলার ঘটনার পর কুয়েত ও কাতার আলাদা বিবৃতিতে এর তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। কুয়েত জানিয়েছে, এই অনুপ্রবেশ গত ১১ মার্চ পাস হওয়া জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের ২৮১৭ নম্বর প্রস্তাবের সরাসরি লঙ্ঘন। এই প্রস্তাবটি মূলত ২০২৬ সালের ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে উপসাগরীয় দেশগুলোর অবকাঠামো রক্ষার জন্য পাস হয়েছিল। কাতার এই ঘটনাকে ‘প্রত্যাখ্যাত আগ্রাসন’ এবং সৌদি আরবের সার্বভৌমত্বের পরিপন্থী বলে অভিহিত করেছে।

সৌদি আরবের আকাশ প্রতিরক্ষা বাহিনী ইরাক থেকে আসা তিনটি ড্রোন ধ্বংস করার পর এই প্রতিক্রিয়া এল। কুয়েত ও কাতার উভয় দেশই রিয়াদের নিরাপত্তা রক্ষায় গৃহীত যেকোনো পদক্ষেপের প্রতি পূর্ণ সংহতি প্রকাশ করেছে।

বালবেকে বিক্ষোভ ও উত্তেজনা

লেবাননের বালবেক শহরের উপকণ্ঠে ‘জালিল’ শরণার্থী শিবিরে একটি আবাসিক ভবনে ইসরায়েলি বিমান হামলার প্রতিবাদে সোমবার (১৮ মে ২০২৬) শত শত মানুষ বিক্ষোভ করেছে। হামলায় ফিলিস্তিনি ইসলামি জিহাদ (PIJ) কমান্ডার ওয়ায়েল আবদেল হালিম এবং তার ১৭ বছর বয়সী মেয়ে রামা নিহত হয়েছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গেছে, শোকাতুর জনতা হিজবুল্লাহ ও হামাসের সমর্থনে স্লোগান দিচ্ছেন। লেবাননের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা (NNA) জানিয়েছে, উদ্ধারকর্মীরা এখনও ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে জীবিতদের সন্ধানে তল্লাশি চালাচ্ছেন। উল্লেখ্য, গত মার্চ থেকে লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় নিহতের সংখ্যা ৩ হাজার ছাড়িয়েছে এবং প্রায় ১৬ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। এই হামলাটি গত ১৭ এপ্রিল কার্যকর হওয়া ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতির একটি গুরুতর লঙ্ঘন হিসেবে দেখা হচ্ছে।  

সংযুক্ত আরব আমিরাত: আবুধাবির বারাকাহ (Barakah) পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কাছে একটি ড্রোন হামলায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। কোনো হতাহত না হলেও ভারতসহ আন্তর্জাতিক মহল এই ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।  

ইসরায়েল-লেবানন পরিস্থিতি: ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু জানিয়েছেন, হামাস নির্মূল অভিযান এখন শেষ পর্যায়ে। তবে লেবাননের সাথে শান্তি আলোচনা বর্তমানে এক প্রকার স্থবির হয়ে পড়েছে।