যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত চুক্তিতে মূলত ইরান যা চেয়েছিল, তাই পেতে যাচ্ছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ফুয়াদ ইজাদি।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই তথ্য জানান।
অধ্যাপক ফুয়াদ ইজাদি বলেন, ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর প্রস্তাবিত সমঝোতায় সুনির্দিষ্টভাবে যে একটি মাত্র বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন, তা হলো হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া। এর সহজ অর্থ হলো—আমেরিকা ইরানের ওপর থেকে তাদের নৌ-অবরোধ প্রত্যাহার করতে যাচ্ছে। কারণ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যতক্ষণ পর্যন্ত ইরানের বন্দরগুলোর ওপর অবরোধ বজায় রাখবে, ততক্ষণ ইরান কোনোভাবেই হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত করত না।
বিশ্লেষক ইজাদি আরও উল্লেখ করেন যে, ট্রাম্প এর আগে যেভাবে ইরানের তেল সম্পদ দখল বা নিজের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন, বর্তমান বিবৃতিতে কিন্তু তিনি সেই ধরণের কোনো কথাই আর উল্লেখ করেননি।
তিনি বলেন, সুতরাং ট্রাম্পের এই পুরো বিবৃতিটি লক্ষ্য করলে একমাত্র যে ধারণাটি পাওয়া যায় তা হলো—ইরান যা চেয়েছিল, ইরান তা-ই পাচ্ছে। ইরান কখনোই এই যুদ্ধ শুরু করতে চায়নি। ইরান নিজের বন্দর বা হরমুজ প্রণালীতে কোনো ধরণের অবরোধও চায়নি। ফলে এখন সেই অবরোধ দূর হতে চলেছে।
ইরানের এই কূটনৈতিক সফলতার বিষয়ে অধ্যাপক ফুয়াদ ইজাদি আরও যোগ করেন, আমার মনে হয় (এই চুক্তির মাধ্যমে) ইরান নিজের আটকে থাকা বা বাজেয়াপ্ত হওয়া অর্থের একটি অংশও ফেরত পেতে যাচ্ছে। আর অন্য বড় বিষয়টি হলো লেবাননে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়া। সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত পরিস্থিতি ইরানের অনুকূলেই রয়েছে