যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার চলমান শান্তি আলোচনায় ওয়াশিংটনের ঘন ঘন অবস্থান পরিবর্তন করা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে তেহরান।
ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পূর্ববর্তী বিভিন্ন চুক্তির আলোচনার সময়ও প্রতিবারই দেখা গেছে যে আমেরিকা নতুন নতুন দাবি উত্থাপন করত অথবা নিজেদের অবস্থান বদলে ফেলত। যুক্তরাষ্ট্রের এই খামখেয়ালি আচরণ বা ধারাবাহিক অবস্থান পরিবর্তনের বিষয়টি নিয়ে শুরু থেকেই জোর দিয়ে আসছিল তেহরান।
চলমান আলোচনায় এখন প্রধান দুটি বিষয়ে বড় ধরণের জটিলতা বা বাধা তৈরি হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। এর মধ্যে প্রথমটি হলো ইরানের আটকে থাকা বা বাজেয়াপ্ত হওয়া অর্থ ফেরত দেওয়া এবং দ্বিতীয়টি হলো সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতির মধ্যে লেবাননকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে কিনা, আর যদি অন্তর্ভুক্ত করা হয় তবে তা কী নিয়মে বা কোন উপায়ে হবে।
আটকে থাকা ইরানি অর্থ ফেরত দেওয়ার বিষয়ে ওয়াশিংটন তাদের পুরনো কঠোর নীতিতে ফিরে গেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এই নীতি অনুযায়ী, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এখন ইরানকে পরিষ্কার জানিয়ে দিচ্ছে যে—যতক্ষণ না পর্যন্ত ইরান তাদের পারমাণবিক কার্যক্রমের সমস্ত অবশিষ্টাংশ পুরোপুরি পরিষ্কার করছে, ততক্ষণ পর্যন্ত ইরানের আটকে থাকা কোনো অর্থই ফেরত দেওয়া হবে না। অর্থাৎ, পারমাণবিক জট পুরোপুরি না খুললে তেহরান কোনো ডলার পাবে না।