বাহরাইন-কুয়েতের মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার কারণ জানালো ইরান

যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর সঙ্গে সাম্প্রতিক সংঘাতের ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ প্রকাশ করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)।

ইরানের ফার্স নিউজ এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

আইআরজিসি'র দাবি অনুযায়ী, সংঘর্ষের সূত্রপাত তখন হয় যখন মার্কিন সামরিক বাহিনীর পাহারায় চারটি তেলবাহী ট্যাংকার ‘অবৈধভাবে হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করার চেষ্টা’ করছিল।

বিবৃতিতে বলা হয়, এই ঘটনার পর ইরানের নৌবাহিনী ওই জাহাজগুলোকে সতর্কবার্তা পাঠায়। এরপর একটি তেলবাহী ট্যাংকারকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে সেটি থামিয়ে দেওয়া হয় এবং বাকি আইন লঙ্ঘনকারী জাহাজগুলো পিছু হটে ফিরে যায়।

আইআরজিসি আরও জানায়, এই ঘটনার পরপরই মার্কিন ড্রোন থেকে ইরানের ‘কেশম’ দ্বীপের একটি টেলিযোগাযোগ বন্দর এবং ‘সিরিক’ বন্দরে দুটি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে হামলা চালানো হয়।

মার্কিন এই হামলার জবাবে পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে ইরান কুয়েতে অবস্থিত দুটি মার্কিন বিমান ঘাঁটি এবং বাহরাইনে অবস্থানরত মার্কিন নৌবাহিনীর ‘পঞ্চম নৌবহর’-কে লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালায়।

এক বিবৃতিতে আইআরজিসি সতর্ক করে বলেছে, আমরা আগ্রাসী এবং শিশুহত্যাকারী শত্রুকে সতর্ক করছি যে, এই ধরনের অন্যায়ের পুনরাবৃত্তি হলে কেবল সীমিত প্রতিক্রিয়া বা পাল্টা হামলাতেই আমরা সীমাবদ্ধ থাকব না। এর ফলে তেল ও গ্যাস রপ্তানির জন্য হরমুজ প্রণালি যদি সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়া হয়, তবে তার সব পরিণতির জন্য তোমরাই দায়ী থাকবে। সূত্র: আল জাজিরা