ইসরায়েলের হামলার আশঙ্কায় ইরান তাদের পশ্চিমাঞ্চলীয় আকাশসীমা পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করেছে।
এ তথ্য জানিয়েছে দেশটির আধা-সরকারি সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ।
শুধু ইরানই নয়, নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কায় সাময়িকভাবে নিজেদের আকাশসীমা বন্ধ করেছে ইরাক ও সিরিয়া।
এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন দুই দেশের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তারা। অতীতে ইরানের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালাতে ইরাক ও সিরিয়ার আকাশসীমা ব্যবহার করেছে ইসরায়েল। এমনটি ধারণা করা হয়।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা অব্যাহত থাকলে আরও বৃহৎ পরিসরে পালটা আঘাত হানা হবে বলে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) সতর্ক করেছে।
আইআরজিসির দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যে যুদ্ধবিরতি সমঝোতা হয়েছিল, তার অন্যতম শর্ত ছিল সব ফ্রন্টে যুদ্ধ বন্ধ রাখা। কিন্তু লেবাননে সামরিক অভিযান চালানোর পাশাপাশি হরমুজ প্রণালি, ওমান সাগর ও ভারত মহাসাগরে ইরানের উপকূলীয় এলাকা এবং জাহাজে বারবার হামলার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল সেই প্রতিশ্রুতি লঙ্ঘন করেছে।
এদিকে ইরানের সাম্প্রতিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার জবাবে ইসরায়েল কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। তেহরানের এ পদক্ষেপের জবাব ‘শক্তিশালী ও তাৎপর্যপূর্ণ’ হবে।
রোববার (৭ জুন) রাতে ইরানের হামলার পর ইসরায়েলি দুটি সূত্র মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে এ তথ্য জানিয়েছে।
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর দাবি, ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে ইরান অন্তত তিন দফায় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সবগুলো ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করতে সক্ষম হয়েছে।