ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের যে কোনো মুহূর্তে বড় ধরনের সামরিক হামলা চালানোর শঙ্কা প্রবল হয়ে উঠেছে। এ পরিস্থিতিতে সম্ভাব্য পাল্টা হামলা মোকাবিলায় নিজেদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তাসংক্রান্ত সতর্কতা বাড়িয়েছে দখলদার ইসরায়েলি বাহিনী।
গত শুক্রবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মন্তব্যের পরেই এই নতুন উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। মন্ত্রিসভার বৈঠকে ট্রাম্প জানান, তিনি ইরানে এমন কঠোর আঘাত হানবেন যেন দেশটি শেষ পর্যন্ত যুদ্ধ চালাতে অপারগতা প্রকাশ করে।
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম ‘ইয়েদিয়োত আহরোনোত’-এর বরাতে জানা গেছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট যে কোনো সময় ইরানের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি অবকাঠামো ধ্বংসের নির্দেশ দিতে পারেন। হামলা হলে ইরান পাল্টা আঘাত হিসেবে ইসরায়েলকে লক্ষ্যবস্তু বানাতে পারে বলে তাদের ধারণা।
পরিস্থিতি মূল্যায়নে ইসরায়েলি চ্যানেল-১২ জানিয়েছে, বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের পুরো পরিস্থিতি এখন বিষ্ফোরণের মুখে দাঁড়িয়ে আছে। একই সাথে ইসরায়েলও ইরানে পৃথকভাবে নিজস্ব হামলার জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করছে।
মার্কিন প্রশাসনের গোপন সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক আলোচনাকে বর্তমানে সময় নষ্ট মনে করছেন ট্রাম্প। তাই আলোচনার পথ ছেড়ে তিনি সামরিক অভিযানের সিদ্ধান্ত নেওয়ার অত্যন্ত কাছাকাছি অবস্থান করছেন।
অন্যদিকে ইরানের পক্ষ থেকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়েছে, তাদের তেল ও বিদ্যুৎ কেন্দ্রে আক্রমণ করা হলে মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশের একই ধরনের অবকাঠামো ধূলিসাৎ করে দেওয়া হবে।
তথ্যসূত্র: টিআরটি ওয়ার্ল্ড, ইয়েদিয়োত আহরোনোত এবং চ্যানেল-১২ (ইসরায়েল)।