যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম মুসলিম সিনেটর হওয়ার পথে কে এই এল সাইদ?

আমেরিকান স্বপ্নের এক অনন্য দৃষ্টান্ত গড়ে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে বিশ্বজুড়ে নতুন করে আলোচনার ঝড় তুলেছেন চিকিৎসক ও জনস্বাস্থ্য কর্মকর্তা আবদুল এল সাইদ।

মিসরীয় অভিবাসী বাবার সন্তান একচল্লিশ বছর বয়সী সাইদ মিশিগান থেকে ডেমোক্র্যাটদের সমর্থন পেয়ে ইতিহাস গড়ার দ্বারপ্রান্তে এসে দাঁড়িয়েছেন।

আসন্ন নির্বাচনে জয়ী হতে পারলে তিনি হবেন মার্কিন সিনেটের ইতিহাসে প্রথম মুসলিম সিনেটর, যা যুক্তরাষ্ট্রের মূলধারার রাজনীতিতে নতুন এক ইতিহাস লিখবে।

‘রাজনীতি থেকে অর্থ সরিয়ে তা সাধারণ মানুষের পকেটে দেওয়া এবং সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবা সুনিশ্চিত করা’— এমন নীতিতেই আবর্তিত তাঁর মূল নির্বাচনী মূলমন্ত্র।

একই সাথে যেকোনো দেশের সেনাবাহিনীতে মার্কিন অর্থায়ন বন্ধের জোরালো দাবি তুলে নিজের স্বতন্ত্র ও দৃঢ় রাজনৈতিক অবস্থানের পরিচয় দিয়েছেন এই নেতা।

বিশেষ করে ইসরাইলি বাহিনীতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তহবিল সহায়তাকে জনগণের ট্যাক্সের টাকার নিকৃষ্ট ব্যবহার হিসেবে আখ্যা দিয়ে ব্যাপক সমর্থক গোষ্ঠী তৈরি করেছেন সাইদ।

দলীয় কোনো কেন্দ্রীয় সমর্থন ছাড়া কেবল সাধারণ ভোটার, বার্নি স্যান্ডার্স ও আলেক্সান্দ্রা ওসারিও-কর্টেজের মতো বামপন্থী প্রগতিশীল নেতাদের সমর্থনে তিনি এই অবস্থানে এসেছেন।

২০১৫ সালে মাত্র ৩০ বছর বয়সে ডেট্রয়েটের জনস্বাস্থ্য বিভাগের সর্বকনিষ্ঠ প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পেয়ে ইতিবাচক সামাজিক পরিবর্তনের মাধ্যমে সুপরিচিতি অর্জন করেছিলেন সাইদ।

নভেম্বরের ভোটে ট্রাম্প সমর্থিত রিপাবলিকান প্রার্থী মাইক রজার্সের বিরুদ্ধে লড়বেন তিনি, যার ফলাফল ২০২৮ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনেও বড় প্রভাব ফেলবে।

সূত্র: বিবিসি