বাণিজ্য সীমিত করার ক্ষমতা এখন আর যুক্তরাষ্ট্রের নেই: ইরান

যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক কঠোর অবস্থানের ফলে ইরান নতুন করে বড় ধরনের দ্বিধাদ্বন্দ্বের মুখে পড়েছে। একপক্ষে ওয়াশিংটনের সাথে কূটনৈতিক আলোচনা পুনরুজ্জীবিত করার কিছু আশা থাকলেও, অন্যপক্ষে নতুন সামরিক সংঘাত কিংবা দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের আশঙ্কা ঘনীভূত হচ্ছে।

মার্কিন প্রশাসনের এই পদক্ষেপ যে তেহরানে মোটেও ভালোভাবে গৃহীত হয়নি, তার স্পষ্ট ইঙ্গিত মিলেছে ইরানি নেতৃত্বের কথায়।

ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক হুমকি ও চাপ সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি মার্কিন অবস্থান নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে লিখেন, আমেরিকানরা খুব ভালো করেই জানে যে তাদের এই হুঙ্কারকে কেউ গুরুত্ব দেয় না। অন্যান্য দেশের সাথে সম্পর্ক আরও সীমাবদ্ধ করার মতো অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে এখন আর যুক্তরাষ্ট্র নেই।

ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে তিনি আরও বলেন, আমাদের বাণিজ্য অংশীদাররা সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে এবং সরাসরি বার্তা পাঠিয়ে আমাদের স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে, তারা মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্টের মন্তব্যকে বিন্দুমাত্র গুরুত্ব দিচ্ছে না।

বিশ্লেষকদের মতে, আমেরিকা একদিকে কঠোর নিষেধাজ্ঞার হুমকি দিচ্ছে এবং অন্যদিকে সামরিক পদক্ষেপের জন্য চাপ সৃষ্টি করছে। তবে ইরান যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো হুমকি মোকাবিলায় নিজেদের প্রস্তুত থাকার বার্তাই দিচ্ছে।