আর্জেন্টিনার সাবেক জনপ্রিয় ফার্স্ট লেডি ইভা পেরন ১৯৫২ সালের জুলাইয়ে মারা যান। ভক্তদের কাছে তিনি ‘ইভিটা’ নামে বিশেষভাবে সমাদৃত ছিলেন।
মৃত্যুর পর তার মরদেহ সংরক্ষণের দায়িত্ব পান স্প্যানিশ অ্যানাটমিস্ট ডক্টর পেদ্রো আরা। লেনিন ও স্ট্যালিনের মতো করে তার মরদেহ মমি করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল।
সংরক্ষণ শেষে ইভিটার মরদেহ রাখা হয় আর্জেন্টিনার শ্রম মন্ত্রণালয় ভবনে। সেখানে প্রস্তাবিত এক স্মৃতিস্তম্ভে তার চূড়ান্ত বিশ্রামের স্থান নির্ধারণ করা হয়েছিল।
তবে ১৯৫৫ সালের সেপ্টেম্বরে রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ঘটে। এক সামরিক অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে দেশ ছাড়তে বাধ্য হন ইভার স্বামী প্রেসিডেন্ট হুয়ান পেরন।
অভ্যুত্থানের পর ডক্টর পেদ্রো আরার ল্যাব থেকে ইভা পেরনের মমি করা মরদেহটি গায়েব করে দেয় সামরিক সরকার। এরপর দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে মরদেহটি ছিল নিখোঁজ।
অবশেষে মিলান থেকে উদ্ধার করে ১৯৭১ সালে স্পেনে নির্বাসিত হুয়ান পেরনের কাছে মরদেহটি হস্তান্তর করা হয়। দীর্ঘ ১৬ বছরের নাটকীয় যাত্রা শেষে ১৯৭৬ সালে আর্জেন্টিনায় নিজ পরিবারের সমাধিসৌধে তাকে সমাহিত করা হয়।
তথ্যসূত্র: বিবিসি নিউজ