দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের ক্রমবর্ধমান সামরিক অভিযান ও হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে হিজবুল্লাহ। সংগঠনটি বলেছে, ইসরায়েলে আটক কয়েকজন লেবানিজ বন্দিকে মুক্তি দেওয়ার ঘটনা চলমান ‘আগ্রাসন, দখলদারত্ব ও হত্যাকাণ্ড’ আড়াল করার সুযোগ হতে পারে না।
শুক্রবার ( ৪ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতিতে হিজবুল্লাহ বলেছে, কয়েকজন লেবানিজ বন্দির মুক্তি গুরুত্বপূর্ণ হলেও এর মাধ্যমে ইসরায়েলের অব্যাহত হামলা উপেক্ষা করা কিংবা লেবাননের জনগণের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালিয়ে যাওয়ার যৌক্তিকতা তৈরি হয় না।
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যে আলোচনার অংশ হিসেবে ইসরায়েল পাঁচজন বেসামরিক বন্দিকে মুক্তি দিয়েছে। এর মধ্যে প্রথম ব্যক্তি মালেক গাজিকে বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক রেড ক্রসের (আইসিআরসি) মাধ্যমে লেবাননের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরদিন আরও চারজনকে হস্তান্তর করা হয়।
হিজবুল্লাহ অভিযোগ করেছে, দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের সামরিক তৎপরতা অব্যাহত থাকলেও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় কার্যত নীরব রয়েছে এবং এতে যুক্তরাষ্ট্রের ‘নির্লজ্জ সহযোগিতা’ রয়েছে।
সংগঠনটি লেবানন সরকারকে ইসরায়েলের সঙ্গে ‘ফলহীন সরাসরি আলোচনা’ এবং ‘ব্যর্থ কাঠামো চুক্তি’ থেকে সরে আসার আহ্বান জানিয়েছে।
এদিকে দক্ষিণ লেবাননে উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে। ইসরায়েল সম্প্রতি আলি আল-তাহের পাহাড়ের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার দাবি করেছে। কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ওই এলাকায় ইসরায়েলি বাহিনী ও হিজবুল্লাহর মধ্যে সংঘাত নতুন করে তীব্র হয়েছে।
আইসিআরসির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের অক্টোবরের পর থেকে ইসরায়েলে আটক লেবানিজ বন্দিদের বিষয়ে সংস্থাটি পর্যাপ্ত প্রবেশাধিকার পায়নি। লেবাননের আরও কয়েক ডজন নাগরিক ইসরায়েলি আটককেন্দ্রে রয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।