হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে হুমকি এবং অবৈধ পারমাণবিক কর্মসূচির চেষ্টার অভিযোগে ইরানের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে কানাডা। মধ্যপ্রাচ্যে তেহরানের এমন কর্মকাণ্ডকে ‘অস্থিতিশীলতার প্রধান কারণ’ হিসেবে অভিহিত করে দেশটি জানিয়েছে, ইরানের ওপর কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক চাপ অব্যাহত রাখতে তারা মিত্রদের সঙ্গে একযোগে কাজ করছে।
কানাডার পররাষ্ট্রমন্ত্রী অনিতা আনন্দ এবং অর্থমন্ত্রী ফ্রাঁসোয়া-ফিলিপ শ্যাম্পেন এক যৌথ বিবৃতিতে জানান, জি-৭ জোটভুক্ত মিত্রদের সঙ্গে নিয়ে অটোয়া তেহরানের ওপর ব্যাপক চাপ বজায় রাখতে কাজ করে যাচ্ছে। তারা জোর দিয়ে বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন ‘অপারেশন ইকোনমিক আউটকাস্ট’-এর অধীনে আরোপিত কঠোর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা এবং মার্কিন, ফরাসি ও ব্রিটিশ উদ্যোগে হরমুজ প্রণালি পুনরায় স্বাভাবিক করার প্রচেষ্টাকে সম্পূর্ণ সমর্থন করে কানাডা।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, ২০১০ সাল থেকে কানাডা তাদের ‘বিশেষ অর্থনৈতিক পরিমাপ আইন’ এবং ‘দুর্নীতিগ্রস্ত বিদেশি কর্মকর্তাদের ভুক্তভোগীদের জন্য বিচার আইন’-এর আওতায় ৪৯২ জন ইরানি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রেখে আন্তর্জাতিক সহযোগীদের সঙ্গে নিয়ে আরও নতুন নিষেধাজ্ঞা ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছে অটোয়া।
তবে ইরান শুরু থেকেই বলে আসছে যে তারা কোনো পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করছে না এবং তাদের পরমাণু কর্মসূচি সম্পূর্ণরূপে শান্তিপূর্ণ ও বেসামরিক উদ্দেশ্যে পরিচালিত হচ্ছে।
সূত্র: আল-জাজিরা