ইসরায়েলের ওপর যুক্তরাজ্যের নিষেধাজ্ঞায় বাধা দেননি ট্রাম্প

অধিকৃত পশ্চিম তীরে নতুন ইসরায়েলি বসতি স্থাপনের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর যুক্তরাজ্যের নেতৃত্বাধীন ১২টি দেশের নিষেধাজ্ঞা আরোপের সিদ্ধান্তে ট্রাম্প প্রশাসন কোনো বাধা দেয়নি। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) এক্সিওসের এক প্রতিবেদনে মার্কিন কর্মকর্তা ও পশ্চিমা কূটনীতিকদের বরাতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের সম্ভাবনা ও ভূখণ্ডের ধারাবাহিকতা বিনষ্টকারী সংবেদনশীল ‘ই-ওয়ান’ এলাকায় নেতানিয়াহু সরকারের নতুন বসতি নির্মাণের সিদ্ধান্তের জবাবেই মূলত এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা হয়। যুক্তরাজ্যের সঙ্গে কানাডা, ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, আইসল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড, নরওয়ে, পোল্যান্ড, পর্তুগাল, স্পেন ও সুইডেন এই বাণিজ্যিক বিধিনিষেধে যোগ দিয়েছে এবং যুক্তরাজ্য বসতিগুলো থেকে পণ্য আমদানিও নিষিদ্ধ করেছে।

এই পদক্ষেপের প্রতিক্রিয়ায় নেতানিয়াহু সরকার পূর্ব জেরুজালেমে ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে সম্পর্কিত ব্রিটিশ কনস্যুলেট বন্ধের পাশাপাশি গাজা টাস্কফোর্সে থাকা ব্রিটিশ কূটনীতিক ও সামরিক কর্মকর্তাদের বহিষ্কার করে এবং সামরিক প্রশিক্ষণ মিশন বাতিল করে। নিষেধাজ্ঞা ঘোষণার আগে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে অবহিত করলে ট্রাম্প কোনো বাধা দেননি বা সিদ্ধান্ত বদলাতে বলেননি। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানান, তারা যুক্তরাজ্যের সিদ্ধান্তের বিষয়ে অবগত ছিলেন এবং পশ্চিম তীরে সহিংসতা কমানোর বিষয়ে দুপক্ষেরই একই লক্ষ্য রয়েছে।

এদিকে ইসরায়েলে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক হাকাবি এই নিষেধাজ্ঞাকে ইহুদিদের প্রতি বৈষম্যমূলক আখ্যা দিয়ে যুক্তরাজ্যের সমালোচনা করলেও হোয়াইট হাউস তার বক্তব্যকে তাদের নিজস্ব মতামত নয় বলে দূরে অবস্থান নিয়েছে। হাকাবি রাশিয়া ও চীনের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার ঘাটতির কথা বললেও যুক্তরাজ্য বহু বছর ধরে সেসব দেশে নিষেধাজ্ঞা বজায় রেখেছে।