'পাইলটকে কুপিয়ে ইসরায়েলগামী বিমান বিধ্বস্ত করতে চেয়েছিলেন সহ-পাইলট'

দুবাই থেকে ইসরায়েলের উদ্দেশে যাত্রা করা একটি যাত্রীবাহী ফ্লাইদুবাইয়ের বিমানের পাইলটকে তার সহ–পাইলটের ছুরিকাঘাতের ঘটনাকে ‘অত্যন্ত গুরুতর’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।

বিমানে থাকা একজন ইসরায়েলি যাত্রীর সঙ্গে কথা বলেছেন জানিয়ে নেতানিয়াহু বলেন, ওই ঘটনায় ‘একজন পাইলট অন্য পাইলটকে ছুরিকাঘাত করেন। তিনি যাত্রীসহ বিমানেটি বিধ্বস্ত করার চেষ্টা করেছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।’

ওই যাত্রীর বরাতে নেতানিয়াহু জানান, ছুরিকাঘাতের ঘটনার সময় বিমানটি ঘূর্ণিপাকে পড়ে যায়। ওই যাত্রী একজন ক্রু সদস্যকে সঙ্গে নিয়ে ককপিটে ঢুকতে সক্ষম হন। তারা দুজন মিলে ছুরিকাঘাতকারী পাইলটকে আটকে ফেলেন। তিনি (গ্রেপ্তার পাইলট) বিমানের বিভিন্ন ব্যবস্থা অচল করার চেষ্টা করছিলেন।

একপর্যায়ে বিমানে থাকা অন্য ফ্লাইট ক্রুরাও ককপিটে ঢোকেন জানিয়ে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বলেন, পরে বিমানটি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়।

নেতানিয়াহু আরও বলেন, ‘বর্তমানে সৌদি কর্তৃপক্ষ তাকে (গ্রেপ্তার পাইলটকে) জিজ্ঞাসাবাদ করছে। যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং তাদের দ্রুত দেশে ফেরানোর ব্যবস্থা করতে আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছি।’

দুবাই থেকে ইসরায়েলের উদ্দেশে যাত্রা করা ফ্লাইদুবাইয়ের এই বিমানটি জর্ডানের আকাশসীমায় থাকা অবস্থায় ককপিটে এসব ঘটনা ঘটে। এরপর গতিপথ ঘুরিয়ে সৌদি আরবে সেটির জরুরি অবতরণ করা হয়।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিমানটির ককপিটে দুই পাইলটের মধ্যে হাতাহাতি হয়। এর এক পর্যায়ে বিমানের প্রধান পাইলট বা ক্যাপ্টেনকে ছুরিকাঘাত করেন তার কো-পাইলট। এরপর বিমানটি মাত্র ২ মিনিটের ব্যবধানে ১৭ হাজার ফুট নিচে নেমে আসে। তবে বিমানের ভেতর থাকা অন্য যাত্রী ও অন্য দুজন পাইলটের সহায়তায় এটি নিরাপদে সৌদি আরবের তাবুকে অবতরণ করে।

সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল