যুক্তরাষ্ট্রের উইসকনসিন অঙ্গরাজ্যের সবচেয়ে বড় মসজিদের নেতা সালাহ সারসুরকে দেশ থেকে বহিষ্কার করা যেতে পারে বলে রায় দিয়েছেন দেশটির এক অভিবাসন বিচারক। ফিলিস্তিনিদের অধিকারের পক্ষে অবস্থান নেওয়া অ-নাগরিকদের বিরুদ্ধে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন যে বিতর্কিত আইনি ব্যবস্থার প্রয়োগ করছে, তার আওতায় এ রায় দেওয়া হয়েছে।
বুধবার অভিবাসন বিচারক জেইম সালিনার্দি ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত সারসুরকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কারের পক্ষে রায় দেন। তার আইনজীবীদের বরাতে আলজাজিরা জানিয়েছে, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর একটি স্মারকলিপিও রায়ের ক্ষেত্রে বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।
ওই স্মারকলিপিতে বলা হয়েছে, সারসুরের কর্মকাণ্ড বিশ্বজুড়ে ইহুদিবিদ্বেষ মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।
সারসুর ইসলামিক সোসাইটি অব মিলওয়াকির সভাপতি। তিনি তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছেন।
রায়ের প্রতিক্রিয়ায় সারসুর বলেন, সিদ্ধান্তটি তার জন্য ‘গভীরভাবে হতাশাজনক’। তবে যুক্তরাষ্ট্রে থাকার এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতার অধিকার রক্ষায় তিনি আইনি লড়াই চালিয়ে যাবেন বলে জানিয়েছেন।
সারসুর অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে বলেন, “আমি মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং যে দেশকে তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে নিজের ঘর বলে মনে করেছি, সেখানে থাকার অধিকার রক্ষায় লড়াই চালিয়ে যাব।”
সারসুরের বিরুদ্ধে নেওয়া এই ব্যবস্থা এমন এক সময়ে এসেছে, যখন ফিলিস্তিনিদের পক্ষে বিক্ষোভ, বক্তব্য ও অন্যান্য কর্মকাণ্ডে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বিদেশি নাগরিকদের অভিবাসন মর্যাদা নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের পদক্ষেপ নিয়ে বিতর্ক চলছে।