ইরানের সঙ্গে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র তার নৌসামরিক প্রস্তুতি বাড়িয়েছে। স্যাটেলাইটে পাওয়া ছবিতে দেখা গেছে, বাহরাইনে অবস্থিত ঘাঁটি থেকে সব জাহাজ সরিয়ে নিয়েছে মার্কিন নৌবাহিনী। পঞ্চম নৌবহরের সদর দপ্তর সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচিত হওয়ায় এমন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। খবরটি প্রকাশ করেছে মিডলইস্ট মনিটর।
অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস জানিয়েছে, গত বছরের জুনে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার পরও একই ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছিল মার্কিন নৌবাহিনী। পরিস্থিতি অনুযায়ী ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী মনে করছে, যুক্তরাষ্ট্র এমন এক পর্যায়ে পৌঁছে গেছে যেখানে “ফেরার পথ নেই”। সম্ভাব্য হামলার আগে জ্যেষ্ঠ সামরিক ও রাজনৈতিক কর্মকর্তারা খুব কম সময়ের নোটিশ পাবেন বলে তারা ধারণা করছে।
এদিকে, ওমানের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে তৃতীয় দফার আলোচনা বৃহস্পতিবার সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় পুনরায় শুরু হয়েছে। তবে সামরিক হুমকি এখনও বহাল এবং যে কোনও সময় তা বাস্তবায়িত হতে পারে।
মধ্যপ্রাচ্যে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক মার্কিন বাহিনী মোতায়েন রয়েছে। এর মধ্যে আছে বিমানবাহী রণতরী, ইসরায়েলে অবস্থানরত এফ-২২ যুদ্ধবিমান, ডেস্ট্রয়ার এবং ইসি-১৩০এইচ কম্পাস কল বিমান, যা ইলেকট্রনিক যুদ্ধের অত্যাধুনিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে বিবেচিত।
আঞ্চলিক অভিযানে যুক্ত এক অবসরপ্রাপ্ত জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, 'ইরানে হামলা চালানো থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বিরত থাকার সম্ভাবনা ঘণ্টা ঘণ্টায় কমছে। প্রশ্ন হলো, প্রথম হামলা কবে হবে, কী ধরনের হবে এবং কতটা বিস্তৃত হবে।'