মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানের বিমানবাহিনী ও নৌবাহিনীকে "অকার্যকর" করে দেওয়া হয়েছে এবং দেশটির শীর্ষ নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে।
সিএনএনের একটি সূত্র জানিয়েছে, ইসরায়েল এমন একটি কম্পাউন্ডে হামলা চালিয়েছে যেটি ইরানের পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচনের দায়িত্বপ্রাপ্ত গোষ্ঠীর। তবে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম দাবি করেছে, হামলার আগেই ভবনটি খালি করা হয়েছিল।
এদিকে দুবাইয়ের কনস্যুলেট, সৌদি আরবের সিআইএ স্টেশন এবং কাতারের মার্কিন ঘাঁটিতে আঘাত হেনেছে ইরান। ফলে যুক্তরাষ্ট্র তিনটি দেশে তাদের দূতাবাস বন্ধ করে দিয়ে আঞ্চলিক কূটনৈতিক কর্মীদের সংখ্যা কমিয়েছে। এছাড়াও মার্কিন নাগরিকদের দ্রুত দেশ ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে।
সংযুক্ত আরব আমিরাত জানিয়েছে, তারা প্রতিবেশীদের সাথে 'সেফ এয়ার করিডোর' বা নিরাপদ আকাশপথ উন্মুক্ত করেছে যাতে আটকে পড়া নাগরিকদের সরিয়ে নেওয়া যায়।
অন্যদিকে ট্রাম্প পারস্য উপসাগর দিয়ে যাতায়াতকারী জাহাজগুলোর জন্য মার্কিন "বীমা ও গ্যারান্টি" দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, প্রয়োজনে হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেলবাহী ট্যাংকারগুলোকে মার্কিন নৌবাহিনী পাহারা দিয়ে নিয়ে যাবে।