ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থার বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি করেছে ইরান। ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এ তথ্য জানিয়েছে।
তাসনিম নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদনে এ দাবি করা হয়েছে।
এক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, ‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ ৪’-এর অংশ হিসেবে ২৪ মার্চ ৭৯তম দফার প্রতিশোধমূলক হামলা সফলভাবে পরিচালিত হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, খাইবার-শেকান, এমাদ ও সেজ্জিলসহ শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র এবং আইআরজিসির অ্যারোস্পেস ফোর্সের ড্রোন ইসরায়েলের বহুস্তরীয় আকাশ প্রতিরক্ষা ভেদ করে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানে। লক্ষ্যবস্তুগুলোর মধ্যে ছিল তেল আবিবের উত্তর ও কেন্দ্রীয় অঞ্চলে গোয়েন্দা স্থাপনা, রামাত গান ও নেগেভে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর বাণিজ্যিক ও সহায়তা কেন্দ্র এবং বীরশেবায় সামরিক লজিস্টিক ও দক্ষিণাঞ্চলীয় কমান্ড সেন্টার।
আইআরজিসির দাবি, হামলার ফলে অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে আগুন ও ধোঁয়ার বিস্তৃত দৃশ্য দেখা গেছে এবং ২০ লাখের বেশি মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে থাকতে হয়েছে, যা তাদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সক্ষমতার প্রমাণ।
সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের পেন্টাগন ও ইসরায়েলি সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা ‘আমান’ যুদ্ধসংক্রান্ত খবর ও হামলার চিত্র গোপন করছে, যা শত্রুপক্ষের উদ্বেগের স্পষ্ট প্রমান।
আইআরজিসির দাবি অনুযায়ী, ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসলামি বিপ্লবের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তা ও বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়। এরপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল বিরুদ্ধে ব্যাপক সামরিক অভিযান শুরু করে তেহরান।
যৌথ বাহিনী ইরানের বিভিন্ন সামরিক ও বেসামরিক স্থাপনায় ব্যাপক বিমান হামলা চালানো হয়েছে, যার ফলে বহু হতাহতের ঘটনা এবং অবকাঠামোর বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
এর জবাবে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আঞ্চলিক ঘাঁটি এবং অধিকৃত ভূখণ্ডে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মাধ্যমে পাল্টা আক্রমণ চালিয়ে যাচ্ছে।
সূত্র: তাসনিম নিউজ