মধ্যপ্রাচ্যে চলমান এক মাসব্যাপী যুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে জড়িয়ে পড়েছে ইরান-সমর্থিত ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা। শনিবার তারা ই
সরায়েল লক্ষ্য করে দুটি মিসাইল হামলার দায় স্বীকার করেছে। একই সময়ে পরিস্থিতির ভয়াবহতা বিবেচনায় ওই অঞ্চলে প্রায় ২,৫০০ মার্কিন মেরিন সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। যুদ্ধের তীব্রতা কমাতে রোববার আঞ্চলিক শক্তিগুলোর একটি জরুরি বৈঠকের কথা রয়েছে।
এই যুদ্ধ এখন কেবল আঞ্চলিক সংঘাতে সীমাবদ্ধ নেই, বরং বৈশ্বিক জ্বালানি তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস এবং সার সরবরাহে মারাত্মক সংকট তৈরি করেছে। কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালীর ওপর ইরানের নিয়ন্ত্রণ বিশ্ববাজারকে টালমাটাল করে দিয়েছে। গত কয়েক দিনে ইরান, ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টাপাল্টি হামলায় নিহতের সংখ্যা ৩,০০০ ছাড়িয়েছে। তেহরান ও তেল আবিবের আবাসিক এলাকাগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় শিশুসহ অসংখ্য বেসামরিক নাগরিক হতাহত হয়েছেন। গত শুক্রবার তেল আবিবে একজন এবং শনিবার তেহরানে একটি আবাসিক ভবনে হামলায় আরও প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে।
লোহিত সাগরের বাব আল-মান্দেব প্রণালীতে হুথিদের এই সক্রিয়তা বিশ্ব বাণিজ্যের প্রায় ১২ শতাংশকে ঝুঁকির মুখে ফেলেছে। তবে জাতিসংঘের অনুরোধে ইরান শুক্রবার হরমুজ প্রণালী দিয়ে মানবিক সহায়তা এবং কৃষি পণ্যবাহী জাহাজ চলাচলের অনুমতি দিতে সম্মত হয়েছে। এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগামী ৬ এপ্রিলের মধ্যে হরমুজ প্রণালী সম্পূর্ণ খুলে দেওয়ার জন্য ইরানকে সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন। সংঘাতের এই আবহে লেবানন ও ইরানের সাধারণ মানুষের সহায়তায় ইরাকের শিয়া ধর্মীয় নেতা গ্র্যান্ড আয়াতুল্লাহ আলী আল-সিস্তানি অর্থ সহায়তার আহ্বান জানিয়েছেন।