যুদ্ধ-পূর্ববর্তী অস্ত্রভাণ্ডারের বিশাল অংশ এখনো ইরানের নিয়ন্ত্রণে

নিউ ইয়র্ক টাইমসের একটি প্রতিবেদনে উঠে এসেছে যে, ইরান এখনো তাদের যুদ্ধ-পূর্ব সামরিক সক্ষমতার একটি উল্লেখযোগ্য ও গুরুত্বপূর্ণ অংশের ওপর কার্যকর প্রবেশাধিকার ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে, যেখানে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের প্রায় ৭০ শতাংশ, ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ ব্যবস্থা বা লঞ্চারের প্রায় ৬০ শতাংশ এবং ড্রোন বহরের প্রায় ৪০ শতাংশ এখনো তাদের নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার সময় তেহরানের হাতে যে লঞ্চার সক্ষমতা ছিল, তা মোট মজুতের প্রায় অর্ধেকের সমান পর্যায়ে নেমে এসেছিল, যা সামরিক সক্ষমতার ক্ষেত্রে একটি সীমাবদ্ধতা তৈরি করেছিল বলে বিবেচিত হয়। 

তবে এর পরবর্তী সময়ে, আগে থেকেই গোপনে সংরক্ষিত ও আড়ালে রাখা প্রায় ১০০টি ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা পুনরুদ্ধার করে তারা সেই ঘাটতি অনেকাংশে কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হয়েছে এবং ধীরে ধীরে তাদের সক্ষমতাকে পূর্বাবস্থার কাছাকাছি নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছে।

এছাড়াও ধারণা করা হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্রের হামলার ফলে যে ধ্বংসস্তূপ সৃষ্টি হয়েছে, তার নিচে চাপা পড়ে থাকা ক্ষেপণাস্ত্র ও সংশ্লিষ্ট সামরিক সরঞ্জাম পুনরুদ্ধারের কাজও ইরান চালিয়ে যাচ্ছে, যা সফল হলে তাদের সামরিক শক্তি ধরে রাখা এবং পুনর্গঠনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। সূত্র: দ্য টেলিগ্রাফ