কুয়েতে সাম্প্রতিক হামলাকে কেন্দ্র করে উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে নতুন করে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। কাতারের দোহা থেকে আল জাজিরাকে দেওয়া বিশ্লেষণে সাংবাদিক জেইন বাসরাভি বলেন, সর্বশেষ যুদ্ধবিরতির পর থেকে নয়, বরং আগের যুদ্ধবিরতির পরও এত তীব্র, দ্রুতগতির এবং এক রাতে সংঘটিত হামলার ঘটনা দেখা যায়নি।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, প্রথম যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার ঠিক আগে কুয়েত বড় ধরনের হামলার মুখে পড়েছিল। বর্তমান পরিস্থিতিতেও আবার কুয়েতই হামলার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে বলে মনে হচ্ছে।
তিনি জানান, ইরান থেকে কুয়েতের দিকে ১৩টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে এবং একই সঙ্গে ব্যবহার করা হয়েছে ১৭টি ড্রোন। যুদ্ধের শুরুর দিকে ফেব্রুয়ারিতে যে ধরনের হামলার চিত্র দেখা গিয়েছিল, সংখ্যার দিক থেকে এবারের হামলাও তার সঙ্গে বেশ মিল রয়েছে।
বাসরাভি বলেন, বিষয়টি শুধু কুয়েতের জন্য নয়, গোটা জিসিসি অঞ্চলের জন্যই গুরুতর উদ্বেগের কারণ। বিশেষ করে কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
তার মতে, এই হামলার পর উপসাগরীয় অঞ্চলের সব দেশ, তাদের বিমানবন্দর এবং সেখান থেকে পরিচালিত বিমান সংস্থাগুলো পরিস্থিতির দিকে অত্যন্ত সতর্ক নজর রাখবে। আগামী ২৪ ঘণ্টা পুরো অঞ্চলের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
বিশ্লেষকদের মতে, বিমানবন্দরকে লক্ষ্যবস্তু করার ঘটনা আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে এবং এর প্রভাব শুধু সামরিক ক্ষেত্রেই নয়, বেসামরিক বিমান চলাচল ও আঞ্চলিক যোগাযোগ ব্যবস্থার ওপরও পড়তে পারে বলে আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। সূত্র: আলজাজিরা