ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য নতুন সামরিক অভিযানের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ইসরায়েলে আরও কয়েক ডজন আকাশে জ্বালানি সরবরাহকারী বিমান পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে আরেক দফা বড় ধরনের বোমা হামলার বিষয়টি বিবেচনা করছেন বলে মার্কিন ও ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে জানিয়েছে অ্যাক্সিওস।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত মাসের সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) ভেঙে যাওয়ার পর টানা ছয় রাত ধরে ইরানের বিভিন্ন স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলা চলেছে। এরই ধারাবাহিকতায় আগামী কয়েক দিনের মধ্যে হামলার মাত্রা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
বর্তমানে ইসরায়েলের বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরে যুক্তরাষ্ট্রের ৩৩টি আকাশে জ্বালানি সরবরাহকারী ট্যাংকার বিমান অবস্থান করছে। বিপুলসংখ্যক সামরিক বিমান সেখানে থাকায় বাণিজ্যিক ফ্লাইট পরিচালনায় চাপ তৈরি হয়েছে।
এ পরিস্থিতিতে ইসরায়েলের পরিবহনমন্ত্রী মিরি রেগেভ চলতি সপ্তাহে জানান, বেন গুরিয়নে থাকা মার্কিন ট্যাংকার বিমানের সংখ্যা ২০-এ নামিয়ে আনার পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে গ্রীষ্মকালীন বিমান চলাচলে বিঘ্ন না ঘটে। তবে পরে জানা যায়, এসব বিমান ইসরায়েলের সামরিক ঘাঁটিতে সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা থাকলেও যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরের অবকাঠামো ও সুবিধা ব্যবহারের পক্ষেই রয়েছে।
অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলকে অতিরিক্ত ট্যাংকার বিমান পাঠানোর সিদ্ধান্তের বিষয়ে অবহিত করেছে। প্রতিবেদনের একাংশে এটিকে মার্কিন সিদ্ধান্ত হিসেবে উল্লেখ করা হলেও পরে বলা হয়, এসব বিমান গ্রহণের বিষয়ে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর চূড়ান্ত সম্মতির বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে।
এদিকে ওয়াইনেটের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, নতুন করে আসা অতিরিক্ত ট্যাংকার বিমানগুলো বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরে নামবে না। প্রতিদিন পাঁচ থেকে আটটি করে বিমান ইসরায়েলে পৌঁছানোর পরিকল্পনা রয়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল