ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা দুটি পারমাণবিক শক্তিধর দেশের সামরিক সক্ষমতাকে অচল করে দিয়েছে বলে দাবি করেছেন তেহরানের অন্তর্বর্তীকালীন জুমার খতিব মোহাম্মদ হাসান আবুতোরাবিফার্দ। তার দাবি, এর মধ্য দিয়ে আঞ্চলিক শক্তির ভারসাম্যও ইরান ও প্রতিরোধ অক্ষের পক্ষে বদলে গেছে।
শুক্রবার (২১ আগস্ট) তেহরানে জুমার নামাজের খুতবায় এসব কথা বলেন আবুতোরাবিফার্দ। তিনি বলেন, জ্ঞান ও বিশ্বাসের ওপর গড়ে ওঠা সামরিক শক্তি দিয়ে ইরান নিজের অবস্থান আরও শক্ত করেছে এবং শক্তির সমীকরণে বড় পরিবর্তন এনেছে।
ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা ও মার্কিন সামরিক হামলার প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, দেশটির শক্তি কমিয়ে দেওয়া, নিয়ন্ত্রণ করা, বিভক্ত করা এবং অবকাঠামো ধ্বংস করাই ছিল এসব পদক্ষেপের লক্ষ্য। কিন্তু বাস্তবে এর উল্টোটা হয়েছে। এসব চাপই ইরানের শক্তি বাড়ানোর সুযোগ তৈরি করেছে বলে দাবি করেন তিনি।
জাতীয় ঐক্যের বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে তুলে ধরেন তেহরানের এই জুমার খতিব। তার ভাষ্য, সরকার, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ও সাধারণ মানুষের মধ্যে নজিরবিহীন সহযোগিতা ইরানে নতুন করে জাতীয় সংহতি তৈরি করেছে।
এই ঐক্যের কারণে মার্কিন প্রশাসনের যুদ্ধের লক্ষ্য ব্যর্থ হয়েছে বলেও দাবি করেন আবুতোরাবিফার্দ। একই সঙ্গে তার দাবি, ইসরায়েলও রাজনৈতিকভাবে আরও দুর্বল অবস্থায় পড়েছে।
যুদ্ধের পর ইরানকে যে অর্থনৈতিক সংকটের মুখে পড়তে হচ্ছে, সে বিষয়েও কথা বলেন তিনি। আবুতোরাবিফার্দ বলেন, জনগণ ও রাষ্ট্রের মধ্যে ঐক্য বজায় থাকলে এবং পারস্পরিক আস্থা অটুট থাকলে ইরান এই সংকটও শক্ত অবস্থান থেকে কাটিয়ে উঠতে পারবে। সূত্র: মেহর নিউজ এজেন্সি