ইরানের সঙ্গে সীমান্ত খুলছে ইরাক

সৌদি আরবের পূর্ব-পশ্চিম তেল পাইপলাইনে ড্রোন হামলার পর বন্ধ করে দেওয়া ইরানের সঙ্গে তিনটি সীমান্ত ক্রমান্বয়ে খুলে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ইরাক। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) রাতে হামলার পরদিন সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে ড্রোন উৎক্ষেপণের তথ্য পাওয়ার পর এসব সীমান্ত বন্ধ করেছিল বাগদাদ।

হামলার পর ইরানের সীমান্তবর্তী মাইসান প্রদেশের সামরিক কমান্ডারকে বরখাস্ত করে ইরাকি কর্তৃপক্ষ। তদন্তে মাইসান থেকেই ড্রোনগুলো উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল বলে নিশ্চিত হওয়ার পর ওই পদক্ষেপ নেওয়া হয়।

এরপর সীমান্ত ব্যবস্থাপনা পুনর্গঠন এবং নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করার কথা জানিয়ে তিনটি সীমান্ত বন্ধ করে দেয় ইরাক সরকার। সীমান্ত দিয়ে যেকোনো ধরনের অনিয়ম ও লঙ্ঘন ঠেকাতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে জানানো হয়।

ইরাকি সরকারের নিরাপত্তা গণমাধ্যম সেল জানিয়েছে, সীমান্ত চৌকিগুলোর কার্যক্রম পর্যালোচনার পর ধাপে ধাপে সেগুলো পুনরায় চালু করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) থেকে বৃহস্পতিবারের (১৭ সেপ্টেম্বর) মধ্যে যাত্রী ও বাণিজ্যিক কার্যক্রমের জন্য সীমান্তগুলো খুলে দেওয়া হবে।

যেসব সীমান্ত পুনরায় চালু করা হচ্ছে সেগুলো হলো বসরার শালামশেহ, মাইসানের আল-শিব এবং দিয়ালার আল-মানদালি। রোববার শালামশেহ ও আল-শিব সীমান্ত দিয়ে যাত্রী চলাচল শুরু হলেও বাণিজ্যিক কার্যক্রম তখনও বন্ধ রাখা হয়েছে।

ড্রোন হামলার উৎসস্থল নিয়ে ইরাকের তদন্ত এবং সীমান্ত ব্যবস্থাপনায় নেওয়া পদক্ষেপের মধ্যেই সীমান্তগুলো পুনরায় চালুর সিদ্ধান্ত এলো। ফলে নিরাপত্তা জোরদারের পাশাপাশি ইরান-ইরাকের স্বাভাবিক যাতায়াত ও বাণিজ্যিক কার্যক্রমও ধীরে ধীরে স্বাভাবিক করার উদ্যোগ নিয়েছে বাগদাদ। সূত্র: ডন