হুথিদের পাঁচটি ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করেছে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকারের সামরিক রিজার্ভ বাহিনী নেশন শিল্ড ফোর্স। তুরস্কের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আনাদোলু এজেন্সির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, নেশন শিল্ড ফোর্সের ষষ্ঠ ব্রিগেড আল-আগবারা এলাকায় হুথিদের সঙ্গে সংঘর্ষের সময় এসব ড্রোন গুলি করে ভূপাতিত করে। তবে ড্রোনগুলো কী ধরনের ছিল বা এগুলো কোন লক্ষ্যবস্তুতে হামলার জন্য পাঠানো হয়েছিল, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়নি।
এদিকে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সেপ্টেম্বর নেট ওয়েবসাইট জানিয়েছে, দেশটির বিভিন্ন এলাকায় হুথিদের অবস্থান লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালানো হয়েছে। ওয়েবসাইটটির প্রতিবেদনে বলা হয়, ইয়েমেনি বিমানবাহিনী হুথিদের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে ধারাবাহিক হামলা চালিয়েছে। এসব অভিযানে সামরিক সরঞ্জাম ধ্বংস এবং হুথি যোদ্ধা নিহত হওয়ার দাবি করা হয়েছে। তবে বিমান হামলায় কতজন নিহত বা আহত হয়েছেন, সে বিষয়ে কোনো নির্দিষ্ট সংখ্যা প্রকাশ করা হয়নি। হামলায় ঠিক কোন কোন স্থাপনা বা সামরিক অবস্থান লক্ষ্য করা হয়েছিল, সে বিষয়েও বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
ইয়েমেনে সাম্প্রতিক সময়ে সরকারপন্থী বাহিনী ও হুথিদের মধ্যে সংঘর্ষ নতুন করে তীব্র হয়েছে। এর মধ্যে ড্রোন ও বিমান হামলা উভয় পক্ষের সামরিক কৌশলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে। নেশন শিল্ড ফোর্সের পাঁচটি ড্রোন ভূপাতিতের দাবি এবং হুথি অবস্থানে বিমান হামলার খবর থেকে বোঝা যাচ্ছে, ইয়েমেনের বিভিন্ন ফ্রন্টে সামরিক তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। তবে উভয় পক্ষের দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
হুথিদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সরকারপন্থী বাহিনীগুলোর মধ্যে সমন্বয় ও সামরিক সক্ষমতা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই প্রশ্ন রয়েছে। এর মধ্যেই ড্রোন প্রতিহত করা এবং হুথি অবস্থানে বিমান হামলার মতো পাল্টা সামরিক পদক্ষেপের মাধ্যমে সরকারপন্থী বাহিনী নিজেদের অবস্থান শক্ত করার চেষ্টা করছে।
সংঘাত আরও বিস্তৃত হলে ইয়েমেনের নিরাপত্তা পরিস্থিতির পাশাপাশি বাব আল-মান্দাব ও লোহিত সাগরের নিরাপত্তার ওপরও এর প্রভাব পড়তে পারে। গুরুত্বপূর্ণ এই সামুদ্রিক অঞ্চলের কাছাকাছি ইয়েমেনের বিভিন্ন এলাকায় সামরিক উত্তেজনা বাড়ায় আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচল নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে।
ইরান যুদ্ধ শুরু করেনি, আগ্রাসনের জবাব দিয়েছে: পেজেশকিয়ান
দক্ষিণ লেবাননের নাবাতিয়েহে ইসরায়েলি গোলাবর্ষণ
হুথিদের সাফল্যকে ‘ঐশ্বরিক বিজয়’ বলে প্রশংসা ইরানের