‘ভিত্তিহীন মিথ্যা’ ছড়িয়ে নিজের অপরাধ ঢাকতে চেয়েছেন নেতানিয়াহু: মামদানি

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ভাষণের তীব্র সমালোচনা করেছেন নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানি। তিনি অভিযোগ করেছেন, ভাষণে ‘ভিত্তিহীন মিথ্যা’ ছড়িয়ে নিজের অপরাধ ঢাকতে চেয়েছেন নেতানিয়াহু।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের পরপরই এক বিবৃতিতে এই প্রতিক্রিয়া জানান তিনি।

এর আগে থেকেই নেতানিয়াহুর কঠোর সমালোচক হিসেবে পরিচিত মামদানি গাজায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে আইসিসির গ্রেপ্তারি পরোয়ানার প্রসঙ্গ টেনে তাকে গ্রেপ্তারের আহ্বান জানিয়েছিলেন।

এর প্রতিক্রিয়ায় জাতিসংঘের ভাষণে ৩৪ বছর বয়সী মুসলিম মেয়র মামদানিকে সরাসরি আক্রমণ করেন নেতানিয়াহু। তিনি মামদানিকে ‘ইহুদিবিদ্বেষী’ আখ্যা দিয়ে দাবি করেন, তার দায়িত্ব গ্রহণের পর নিউইয়র্কে ইহুদিরা নিজেদের নিরাপদ মনে করছেন না।

পাল্টা বিবৃতিতে মামদানি বলেন, ফিলিস্তিনিদের ওপর চালানো গণহত্যাকে বৈধতা দিতেই জাতিসংঘ মঞ্চকে ব্যবহার করেছেন নেতানিয়াহু। তবে কোনো মিথ্যাই যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আইসিসির গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির সত্যতা মুছে ফেলতে পারবে না। ভাষণে গণহত্যার অভিযোগ অস্বীকার করে নেতানিয়াহু এটিকে ‘শ শতাব্দীর সবচেয়ে বড় মিথ্যা’ বলে অভিহিত করেন। এছাড়া তার ভাষণে মামদানির স্ত্রী রামা দুয়াজির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের একটি পুরনো প্রসঙ্গও টেনে আনা হয়।

জাতিসংঘে নেতানিয়াহুর ভাষণের সময় মামদানি উপস্থিত না থাকলেও, ওই সময় নিজের সরকারি বাসভবনে জলপাইগাছের চারা রোপণ ও গাজার কয়েকটি ফিলিস্তিনি পরিবারের সঙ্গে নৈশভোজের একটি ভিডিও প্রকাশ করেন তিনি। যার ক্যাপশনে ছিল, ‘আমাদের ভবিষ্যৎ যেন শান্তির হয়।’