‘ইরানের পারমাণবিক নীতির পক্ষে সমর্থন বাড়ছে’

ইরানের পারমাণবিক নীতি পুনর্বিবেচনার পক্ষে দেশটির জনগণ, বিশেষজ্ঞ ও কর্মকর্তাদের মধ্যে সমর্থন বাড়ছে বলে দাবি করেছেন ইরানি আইনপ্রণেতা হাসান ঘাশঘাভি। রোববার (১১ অক্টোবর) পুলিশের রাজনৈতিক বিষয়ক কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

ঘাশঘাভি বলেন, হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানের নিয়ন্ত্রণ আরও শক্তিশালী হচ্ছে। তেহরানের ঘোষিত শর্ত পূরণ না হওয়া পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথ পুনরায় খুলে দেওয়া সম্ভব নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

ইরানের পারমাণবিক নীতি পুনর্বিবেচনার পক্ষে সমর্থন বাড়ার বক্তব্য দেশটির নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতিতে সম্ভাব্য পরিবর্তন নিয়ে নতুন আলোচনার ইঙ্গিত দিচ্ছে। তবে কী ধরনের পরিবর্তন বিবেচনা করা হচ্ছে, কিংবা পারমাণবিক নীতির কোন দিক পুনর্বিবেচনার আওতায় আসতে পারে—তা বক্তব্যে স্পষ্ট করা হয়নি।

ঘাশঘাভির মন্তব্যকে ইরানের পারমাণবিক নীতিতে আনুষ্ঠানিক পরিবর্তনের ঘোষণা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। এ বিষয়ে দেশটির সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত বা নীতিগত বিবৃতি প্রয়োজন।

যুদ্ধ চলাকালে ইরানের প্রতিপক্ষদের তৈরি করা সংবাদ ও বিশ্লেষণের ৭০ শতাংশের বেশি মিথ্যা বা অবাস্তব বলে দাবি করেছেন ঘাশঘাভি। তাঁর ভাষায়, এসব তথ্যের একটি অংশ ‘কগনিটিভ বা মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধের’ অংশ।

তবে এ দাবির পক্ষে কোনো নির্দিষ্ট গবেষণা, পরিসংখ্যান বা স্বাধীন যাচাইয়ের তথ্য উল্লেখ করা হয়নি। ফলে এটিকে ইরানি আইনপ্রণেতার বক্তব্য হিসেবেই বিবেচনা করতে হবে।

হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরানের অবস্থান এবং পারমাণবিক নীতি পুনর্বিবেচনার পক্ষে সমর্থন বাড়ার দাবি—দুটিই মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ। তবে বাস্তব পরিস্থিতি মূল্যায়নে আনুষ্ঠানিক নীতিগত ঘোষণা ও স্বাধীনভাবে যাচাই করা তথ্যের ওপর গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।