ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী হলেন ক্ষেপণাস্ত্র বিশেষজ্ঞ আখলাঘি

ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের নতুন দায়িত্ব পেয়েছেন দেশটির ক্ষেপণাস্ত্র শিল্পের অভিজ্ঞ কর্মকর্তা মেহরদাদ আখলাঘি কেতাবচি। রোববার(১৮ অক্টোবর) দেশটির পার্লামেন্টের আস্থা ভোটে ২৩৭ ভোট পেয়ে প্রতিরক্ষামন্ত্রী নির্বাচিত হন তিনি। ভোটে তার বিপক্ষে পড়েছে ১৫টি ভোট। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধে তার পূর্বসূরি আজিজ নাসিরজাদেহ নিহত হওয়ার পর এ পদে নিয়োগ পেলেন আখলাঘি।

ভার্চ্যুয়াল অধিবেশনে ২৭৭ জন আইনপ্রণেতা অংশ নেন। নাসিরজাদেহ গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার প্রথম দিন নিহত হন। এরপর থেকে ভারপ্রাপ্ত প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন মাজিদ ইবন আল-রেজা।

আগের কয়েকজন প্রতিরক্ষামন্ত্রীর মতো সামরিক কমান্ডের পদ থেকে উঠে আসেননি আখলাঘি। বরং ইরানের অস্ত্র উৎপাদনশিল্পের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘদিন কাজ করে তিনি নিজের অবস্থান তৈরি করেছেন। ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন, মহাকাশ প্রযুক্তি এবং সামরিক সরঞ্জাম সংগ্রহের সঙ্গে যুক্ত শিল্পপ্রতিষ্ঠান পরিচালনায় তার অভিজ্ঞতা রয়েছে। ২০০৭ সাল থেকেই আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার তালিকায় রয়েছে তার নাম।

প্রকৌশল থেকে ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনে

১৯৫৮ সালের ১০ সেপ্টেম্বর উত্তর ইরানের রাশত শহরে জন্মগ্রহণ করেন আখলাঘি। তিনি আমিরকবির প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে রাসায়নিক প্রকৌশল বিষয়ে পড়াশোনা করেন। পরে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট মালেক আশতার প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কৌশলগত ব্যবস্থাপনায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।

১৯৮০-এর দশকের শুরুতে ইরানের প্রতিরক্ষা শিল্পে কর্মজীবন শুরু করেন তিনি। দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর তথ্য অনুযায়ী, চার দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি প্রযুক্তিগত, শিল্প ব্যবস্থাপনা ও প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করেছেন। তার কর্মজীবনের বড় অংশজুড়ে ছিল কঠিন জ্বালানিচালিত ক্ষেপণাস্ত্রের প্রপালশন ব্যবস্থা এবং ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উন্নয়নের সঙ্গে যুক্ত শিল্পকারখানা পরিচালনা।

কঠিন জ্বালানিচালিত ক্ষেপণাস্ত্র দীর্ঘ সময় সংরক্ষণ করে রাখা যায় এবং উৎক্ষেপণের আগে প্রস্তুত করতে তুলনামূলক কম সময় লাগে। ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতার ক্ষেত্রে এ প্রযুক্তিকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

আখলাঘি এর আগে ইরানের অ্যারোস্পেস ইন্ডাস্ট্রিজ অর্গানাইজেশনের অধীন শহিদ বাকেরি ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্রুপের প্রধান ছিলেন। প্রতিষ্ঠানটি দেশটির ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির সঙ্গে যুক্ত। ২০১৪ সালের নভেম্বরে তৎকালীন প্রতিরক্ষামন্ত্রী হোসেইন দেহগান তাঁকে অ্যারোস্পেস ইন্ডাস্ট্রিজ অর্গানাইজেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নিয়োগ করেন। ওই পদে তিনি মেহদি ফারাহির স্থলাভিষিক্ত হন।

পরবর্তী সময়ে আখলাঘি ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রিজ অর্গানাইজেশনের প্রধানের দায়িত্বও পালন করেন। প্রতিষ্ঠানটি প্রচলিত অস্ত্র উৎপাদন এবং ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর জন্য সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ করে।

ফাতেহ-১১০ ক্ষেপণাস্ত্র প্রকল্পে ভূমিকা

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা হাসান তেহরানি মোগাদ্দামের সঙ্গে আখলাঘির ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। মোগাদ্দামকে ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির জনক হিসেবে পরিচিত করা হয়। ২০১১ সালের নভেম্বরে তেহরানের কাছে একটি সামরিক স্থাপনায় বিস্ফোরণে নিহত হওয়ার আগে তিনি ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর ক্ষেপণাস্ত্রভান্ডার উন্নয়নের কাজ তদারক করতেন।

ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বার্তা সংস্থা তাসনিম, মাসুমেহ সেপেহরির লেখা ‘দ্য ইটারনাল ম্যান’ নামের একটি জীবনীগ্রন্থের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, ফাতেহ-১১০ ক্ষেপণাস্ত্র প্রকল্পের সাফল্য নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকা সত্ত্বেও আখলাঘি এটির সরঞ্জাম কেনা ও উৎপাদন স্থাপনা তৈরির জন্য এক কোটি ডলারের ব্যয় অনুমোদন করেছিলেন।

একজন জ্যেষ্ঠ ক্ষেপণাস্ত্র নকশাবিদের সাক্ষাৎকারের ওপর ভিত্তি করে লেখা ওই বিবরণে বলা হয়েছে, ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর জন্য ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনে ব্যবহৃত অবকাঠামোর অর্থায়নে সরাসরি ভূমিকা ছিল আখলাঘির। রোববার পার্লামেন্টের অধিবেশনে প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানও আখলাঘি ও তেহরানি মোগাদ্দামের সম্পর্কের কথা উল্লেখ করেন। ইরানের সামরিক সক্ষমতা গড়ে তোলায় তাঁদের মতো ব্যক্তিদের অবদানের কথা তুলে ধরেন তিনি।

প্রায় দুই দশক ধরে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞায়

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র শিল্পে সম্পৃক্ততার কারণে প্রতিরক্ষামন্ত্রী হওয়ার বহু আগেই আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার আওতায় আসেন আখলাঘি। ২০০৭ সালের ২৪ মার্চ গৃহীত জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের ১৭৪৭ নম্বর প্রস্তাবে তাঁকে শহিদ বাকেরি ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্রুপের প্রধান হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিতে সম্পৃক্ততার কারণে এর আগে থেকেই প্রতিষ্ঠানটি নিষেধাজ্ঞার আওতায় ছিল।

২০০৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয়ও আখলাঘির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ক্ষেপণাস্ত্র-সংশ্লিষ্ট শিল্প কার্যক্রমে তিনি জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করেছেন এবং এ শিল্পের জন্য সরঞ্জাম কেনার আলোচনায় অংশ নিয়েছেন। ২০২০ সালে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম প্রশাসন ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রিজ অর্গানাইজেশনের প্রধান হিসেবে তার দায়িত্বের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কারণে নতুন করে নিষেধাজ্ঞা দেয়।

ইউরোপীয় ইউনিয়নও আখলাঘিকে নিষেধাজ্ঞার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে। সেখানে ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রিজ অর্গানাইজেশন ও অ্যারোস্পেস ইন্ডাস্ট্রিজ অর্গানাইজেশনে তার জ্যেষ্ঠ পদগুলোর কথা উল্লেখ করা হয়েছে। ২০২৩ সালে ব্রিটেনও তার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। দেশটির দাবি ছিল, পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম ব্যবস্থা উন্নয়নের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ডে তার সম্পৃক্ততা রয়েছে। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহালের পর জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞার তালিকাতেও তার নাম অন্তর্ভুক্ত হয়।

ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন ও আকাশ প্রতিরক্ষায় জোর

পার্লামেন্টে নিজের নিয়োগের পক্ষে বক্তব্য দেওয়ার সময় আখলাঘি অস্ত্র উৎপাদন সম্প্রসারণ, আকাশ প্রতিরক্ষা শক্তিশালী করা এবং সামরিক শিল্পের ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনাগুলো পুনর্গঠনের পরিকল্পনা তুলে ধরেন। তার প্রস্তাবিত কর্মসূচিতে নতুন সামরিক প্রযুক্তি উদ্ভাবন, উৎপাদন দক্ষতা বৃদ্ধি এবং বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয় রয়েছে।

নতুন কিছু প্রতিরক্ষা প্রযুক্তির উন্নয়নচক্র সর্বোচ্চ ছয় মাসে নামিয়ে আনার প্রস্তাবও দিয়েছেন তিনি। এ ছাড়া ২০২৬ সালের মার্চে শুরু হওয়া ইরানি বছরে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বাইরের প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে উৎপাদনের অংশ ৭৫ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে। পরের বছরে তা ৮৫ শতাংশের বেশি করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে অত্যন্ত গোপনীয় অস্ত্র উৎপাদনের কাজ মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন স্থাপনাগুলোতেই রাখা হবে।

ইসলামি প্রজাতন্ত্রের সঙ্গে আঞ্চলিকভাবে সংশ্লিষ্ট সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে অব্যাহত সহায়তা দেওয়াকেও মন্ত্রণালয়ের অগ্রাধিকার হিসেবে চিহ্নিত করেছেন আখলাঘি। তার কর্মসূচি মূলত সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী নাসিরজাদেহের সময়কার পরিকল্পনার ধারাবাহিকতা। তবে সাম্প্রতিক যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতি ও সামরিক চাহিদা বিবেচনায় এতে কিছু পরিবর্তন আনার কথা বলা হয়েছে।

সাম্প্রতিক সংঘাতে ইরানের সামরিক সক্ষমতা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের লক্ষ্য অর্জনে বাধা সৃষ্টি করেছে বলেও দাবি করেন নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী। আইনপ্রণেতাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘সাম্প্রতিক যুদ্ধে এসব সক্ষমতা আমেরিকা-ইহুদিবাদী শত্রুকে হতাশার পর্যায়ে নিয়ে গেছে এবং তাদের কৌশলগত অচলাবস্থায় ফেলেছে।’

কয়েক মাসের সামরিক সংঘাতের পর ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো পুনর্গঠন এবং অস্ত্র উৎপাদনের সক্ষমতা পুনরুদ্ধার এখন ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সামনে বড় দায়িত্ব হিসেবে দেখা দিচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রকে হুঁশিয়ারি

রোববার (১৮ অক্টোবর) পার্লামেন্টের অধিবেশনের বাইরে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য হামলা নিয়েও সতর্কবার্তা দেন আখলাঘি। ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র জিবিইউ-৪৩ বোমা, যা ‘মাদার অব অল বম্বস’ নামে পরিচিত, ব্যবহার করতে পারে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় প্রস্তুতি নিয়েছে।

আখলাঘি সাংবাদিকদের বলেন, ‘মার্কিন প্রেসিডেন্টের ভাবা উচিত, কীভাবে তিনি তার বাহিনীকে জীবিত অবস্থায় আমাদের অঞ্চল থেকে বের করে নেবেন। তিনি যদি একটি বোমা ফেলেন, তাহলে তাঁকে দেখতে হবে কতজন সেনাকে মৃত অবস্থায় অঞ্চল থেকে সরিয়ে নিতে হয়।’

ইরানের স্থাপনাগুলোতে আরও সামরিক হামলার সম্ভাবনা নিয়ে মার্কিন কর্মকর্তাদের সতর্কবার্তার পর তার এই মন্তব্য সামনে আসে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নাতাঞ্জের কাছে ভূগর্ভস্থ পিক্যাক্স মাউন্টেন স্থাপনায় হামলার সম্ভাবনার কথা তুলেছেন। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ ইরানের সঙ্গে আলোচনা ব্যর্থ হলে ভয়াবহ সামরিক পরিণতির হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

যুদ্ধের পর নিষেধাজ্ঞাভুক্ত কর্মকর্তার হাতে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধের পর আখলাঘির নিয়োগ এমন এক সময়ে হলো, যখন সংঘাতে ইরানের জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তারা নিহত হয়েছেন এবং দেশটির সামরিক অবকাঠামো ও আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার দুর্বলতাগুলো সামনে এসেছে।

পার্লামেন্টে পেজেশকিয়ান বলেন, নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী সেনাবাহিনী, ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী এবং অন্যান্য সামরিক ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠানের সমর্থন পেয়েছেন। আখলাঘির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার প্রসঙ্গও তুলে ধরেন তিনি। একই সঙ্গে আশা প্রকাশ করেন, আখলাঘি বেঁচে থেকে তার কাজ চালিয়ে যেতে পারবেন।

ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিতে সম্পৃক্ততার কারণে প্রায় দুই দশক ধরে নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা একজন কর্মকর্তাকে প্রতিরক্ষামন্ত্রী নিয়োগের সিদ্ধান্ত দেশটির নেতৃত্বের সামরিক-শিল্প কাঠামোর ওপর অব্যাহত নির্ভরতার ইঙ্গিত দেয়। এই কাঠামোই ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রভান্ডার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

নতুন দায়িত্বে আখলাঘির সামনে এখন সামরিক উৎপাদন সক্ষমতা পুনর্গঠন এবং অস্ত্র নির্মাণ বাড়ানোর চ্যালেঞ্জ। একই সময়ে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি ওয়াশিংটন ও ইউরোপীয় সরকারগুলোর সঙ্গে দেশটির বিরোধের অন্যতম প্রধান বিষয় হয়ে রয়েছে। সূত্র: ইরান ইন্টারন্যাশনাল