মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের অবসান যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে। শুক্রবার (২০ মার্চ) এক বিবৃতিতে এ কথা বলেছেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস।
গুতেরেস বলেন, ‘যুদ্ধ বন্ধ হওয়া প্রয়োজন এবং আমি বিশ্বাস করি যে, এটি বন্ধ করার ক্ষমতা যুক্তরাষ্ট্রের হাতেই রয়েছে। [যুদ্ধ শেষ করা] সম্ভব, কিন্তু তা করার জন্য রাজনৈতিক সদিচ্ছার ওপর নির্ভর করে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি নিশ্চিত যে ইসরাইল, একটি কৌশল হিসেবে, ইরানের সামরিক সক্ষমতার সম্পূর্ণ ধ্বংস এবং শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন অর্জন করতে চায়। এবং আমি বিশ্বাস করি ইরানেরও একটি কৌশল রয়েছে, যা হলো যত বেশি সম্ভব প্রতিরোধ করা এবং যতটা সম্ভব ক্ষতি সাধন করা। সুতরাং সমস্যা সমাধানের মূল চাবিকাঠি হলো যুক্তরাষ্ট্রকে এই সিদ্ধান্ত নিতে হবে যে তারা তাদের কাজ সম্পন্ন করেছে বলে দাবি করবে। ট্রাম্প তাদের বোঝাতে সক্ষম হবেন, যাদের বোঝানো প্রয়োজন যে কাজটি সম্পন্ন হয়েছে। এভাবে বিষয়টির অবসান হতে পারে।’
পরমাণু ইস্যুতে পরোক্ষ আলোচনার মধ্যে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর সামরিক আগ্রাসন শুরু করে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র। ইরানের প্রতিরোধ লড়াইয়ের মধ্যদিয়ে যা রক্তক্ষয়ী সংঘাতে রূপ নিয়ে। আগ্রাসনের জবাবে ইসরাইলের পাশাপাশি উপসাগরীয় দেশগুলোতে মার্কিন সামরিক অবস্থান লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালাচ্ছে ইরান।
আজ শুক্রবার (২০ মার্চ) এই সংঘাত ২১তম দিনে গড়িয়েছে। ইরানি রেড ক্রিসেন্ট জানিয়েছে, ইসরাইলি-মার্কিনি হামলায় ইরানে মোট মৃতের সংখ্যা ১ হাজর ৪৪৪ জন ছাড়িয়েছে। এর মধ্যে অন্তত ২০৪ জন শিশু। এদিকে লেবাননে ইসরাইলি হামলায় ১ হাজার জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে।
তথ্যসূত্র: তাস