ইসরায়েলিদের জন্য ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ দেশের তালিকায় বাংলাদেশ

বিশ্বজুড়ে ইসরায়েলিদের ওপর সশস্ত্র গোষ্ঠী ও বিভিন্ন ব্যক্তির হামলার আশঙ্কা রয়েছে বলে সতর্কতা জারি করেছে ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিল। নতুন সতর্কবার্তায় বাংলাদেশসহ কয়েকটি দেশে ইসরায়েলিদের ভ্রমণ ও অবস্থানের বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে।

জেরুজালেম পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইহুদিদের আসন্ন পবিত্র দিনগুলোকে কেন্দ্র করে ইসরায়েলিদের ওপর হামলার ঝুঁকি বাড়তে পারে বলে মূল্যায়ন করেছে ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিল।

সংস্থাটির মতে, ইরান, লেবাননের হিজবুল্লাহ এবং ফিলিস্তিনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের সঙ্গে ইসরায়েলের চলমান সংঘাতের কারণে এই ঝুঁকি আরও বেড়েছে। ২০২৬ সালের অক্টোবরে হামাসের হামলার তিন বছর পূর্তিকে ঘিরে বিভিন্ন দেশে বড় ধরনের বিক্ষোভ হতে পারে বলেও সতর্ক করা হয়েছে। এসব বিক্ষোভের কিছু ইসরায়েলিদের বিরুদ্ধে সহিংস রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করছে সংস্থাটি।

ইসরায়েলি নিরাপত্তা সংস্থাটি আরও বলেছে, হামাস ইউরোপসহ বিভিন্ন দেশে ইসরায়েলিদের ওপর হামলা চালানোর চেষ্টা করছে। একই সঙ্গে হুতিরাও আফ্রিকা মহাদেশে ইসরায়েলিদের ওপর হামলার কথা জানিয়েছে।

ইরানের আশপাশের দেশগুলোকে ইসরায়েলিদের জন্য সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ স্থান হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে আজারবাইজান, তুরস্ক ও সংযুক্ত আরব আমিরাতকে বিশেষভাবে ঝুঁকিপূর্ণ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ছাড়া জর্ডান, কাতার, সোমালিল্যান্ড এবং মিসর—সিনাই উপত্যকাসহ—ইসরায়েলিদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ বলে সতর্ক করা হয়েছে। এসব দেশে ভ্রমণ না করা এবং অবস্থানরত ইসরায়েলিদের সেখান থেকে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দেশগুলোতে বিমানের ট্রানজিট থাকলে বিমানবন্দর না ছাড়তেও বলা হয়েছে।

ইরাক, কুর্দিস্তান, ইয়েমেন, ইরান, সিরিয়া, লেবানন ও সৌদি আরবে ইসরায়েলিদের ভ্রমণ আইনিভাবে নিষিদ্ধ বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি। এই নিষেধাজ্ঞা দ্বৈত নাগরিকদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।

অন্যদিকে বাংলাদেশ, পাকিস্তান, আফগানিস্তান, লিবিয়া, আলজেরিয়া ও সোমালিয়াকেও ইসরায়েলিদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হিসেবে তালিকাভুক্ত করে এসব দেশে ভ্রমণ না করার পরামর্শ দিয়েছে ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিল।

সূত্র: জেরুজালেম পোস্ট