যুক্তরাজ্যের রয়্যাল এয়ার ফোর্সের ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটির কাছে সন্দেহভাজন নাশকতার ঘটনায় আটক পাঁচজনকে পুলিশি জামিনে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। দেশটির সন্ত্রাসবিরোধী পুলিশের প্রধান সহকারী কমিশনার লরেন্স টেলর সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) এ তথ্য জানিয়েছেন।
সাংবাদিকদের টেলর বলেন, ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ ও তদন্তের পর সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ওই পাঁচজনকে পুলিশি জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। তবে তাদের মুক্তি পাওয়ার অর্থ এই নয় যে তদন্ত শেষ হয়ে গেছে।
তিনি বলেন, পাঁচজনের চলাফেরা ও অন্যদের সঙ্গে যোগাযোগের ওপর কঠোর শর্ত আরোপ করা হয়েছে। তদন্তের একাধিক দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং তারা এখনো তদন্তের আওতায় রয়েছেন।
এর আগে রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) গ্লুচেস্টারশায়ারের ফেয়ারফোর্ড বিমানঘাঁটির কাছে সন্দেহজনক তিনটি গাড়ি দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। পরে পাঁচজনকে বিস্ফোরক আইনে অপরাধ এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের প্রস্তুতির সন্দেহে আটক করা হয়।
যুক্তরাজ্যের সন্ত্রাসবিরোধী পুলিশ জানিয়েছে, তদন্তকারীরা ঘটনার পেছনের উদ্দেশ্যসহ বিভিন্ন সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছেন। বিদেশি কোনো রাষ্ট্রের হয়ে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কেউ কাজ করেছে কি না, সেটিও তদন্তের আওতায় রয়েছে।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, আটক পাঁচজনই ব্রিটিশ নাগরিক এবং লন্ডনের বাসিন্দা। তাদের বয়স ২৩ থেকে ২৫ বছরের মধ্যে। ঘটনার পর ফেয়ারফোর্ডের আশপাশের এলাকায় ব্যাপক নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয় এবং স্থানীয় প্রায় ৮৫টি পরিবারকে সতর্কতামূলকভাবে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল।
ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটিটি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীও ব্যবহার করে। ঘাঁটিটি ঘিরে ঘটনার পর তদন্তের পাশাপাশি সেখানে নিরাপত্তাব্যবস্থাও জোরদার করা হয়েছে। সূত্র: আলজাজিরা