ইসরায়েলের নির্বাচনে মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত ৩১ দশমিক ৫ শতাংশ ভোট পড়েছে। ২০২২ সালের নির্বাচনে একই সময় ভোট পড়েছিল ২৮ দশমিক ৪ শতাংশ। এবারের ভোটের হার ১৯৭৩ সালের নির্বাচনের পর একই সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ বলে জানিয়েছে টাইমস অব ইসরায়েল।
ভোটার উপস্থিতি বেশি থাকায় নির্ধারিত সময়ের পরও ভোট গ্রহণ চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত জানিয়েছে নির্বাচন কমিটি। রাত ১০টার পরও কোনো ভোটকেন্দ্রে ভোট দেওয়ার জন্য ভোটারদের সারি থাকলে তাদের ভোট দেওয়ার সুযোগ নিশ্চিত করা হবে।
এদিকে ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংস্থা শিন বেতের প্রধান কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটির নিয়ন্ত্রণকেন্দ্র পরিদর্শন করে বলেছেন, এখন পর্যন্ত নির্বাচন কার্যক্রম ভালোভাবে এগোচ্ছে।
অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু আবারও আরব ভোটারদের ব্যাপক হারে ভোট দিতে যাওয়ার বিষয়টি নিয়ে মন্তব্য করেছেন। তিনি অভিযোগ করেন, রা’আম দলের (Ra’am) কর্মীরা তাঁদের কাছ থেকে নির্বাচন ‘ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন’। তাঁর এই বক্তব্য নির্বাচনে আরব ভোটারদের অংশগ্রহণ নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্কের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
এদিকে নির্বাচনের দিন নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়েও কয়েকটি ঘটনা সামনে এসেছে। ডেমোক্র্যাটস দলের নেতা ইয়ার গোলানের কাছে ছুরিসহ এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তবে পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটিকে হত্যাচেষ্টার ঘটনা হিসেবে বর্ণনা করা ঠিক হবে না।
অন্যদিকে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, গাজার ‘ইয়েলো লাইন’ অতিক্রম করা এক ফিলিস্তিনিকে তাদের সেনারা হত্যা করেছে। ঘটনাটি সম্পর্কে স্বাধীনভাবে যাচাই করা বিস্তারিত তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতির এই হার শেষ পর্যন্ত কতটা বাড়ে এবং ভোটের ফলাফলে তার কী প্রভাব পড়ে, তা জানতে ভোট গণনা ও আনুষ্ঠানিক ফলাফলের জন্য অপেক্ষা করতে হবে।