বিভিন্ন অঞ্চলে কারফিউ জারি করার পরেও গোষ্ঠিগত হিংসার জেরে এখনও অশান্ত ভারতের মণিপুর রাজ্য। রোববারও (১৭ নভেম্বর) রাজ্যের জিরিবাম জেলার জিরি নদী থেকে দু’টি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। খবর আনন্দবাজার পত্রিকা অনলাইন।
মণিপুর পুলিশ জানিয়েছে, ষাটোর্ধ্ব এক বয়স্কা এবং বছর দুয়েকের এক শিশুর মুণ্ডহীন দেহ নদীতে ভেসে আসে। রোববার পর্যন্ত জিরিবাম জেলায় মোট ছ’টি দেহ উদ্ধার করা হল। মেইতেইরা মনে করছেন, ওই ছ’টি দেহ জিরিবাম থেকে অপহৃত তিন মহিলা এবং তিন শিশুর। আরেকটি অংশের দাবি, নদীতে আরও কিছু দেহ ভেসে আসতে দেখা গিয়েছে। সে ক্ষেত্রে নিহতের সংখ্যা আরও বাড়বে।
এ পরিস্থিতিতে মহারাষ্ট্রে ভোটপ্রচারের কর্মসূচি বাতিল করে রোববার দিল্লি ফিরে গেছেন দেশটির কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।
শনিবার (১৬ নভেম্বর) ইম্ফলে তিন মন্ত্রী ও ৬ জন বিধায়কের বাড়িতে হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিংহের পৈতৃক বাড়িতেও আগুন ধরানো হয়েছে বলে অভিযোগ।
শুক্র ও শনিবার (১৫ ও ১৫ নভেম্বর) মণিপুর থেকে ছ’টি মরদেহ উদ্ধার হয়। মেইতেই জাতিগোষ্ঠীর মণিপুরীরা মনে করছেন, ওই ছ’টি দেহ জিরিবাম থেকে অপহৃত তিন মহিলা এবং তিন শিশুর। তারা একই পরিবারের সদস্য ছিলেন।
তাদের অভিযোগ, মণিপুরের কুকি জঙ্গিরা তাদের অপহরণ করে হত্যা করে। যদিও মণিপুর সরকারের পক্ষ থেকে উদ্ধার হওয়া মরদেহের পরিচয় জানানো হয়নি।
ওই মরদেহ উদ্ধারের পর থেকেই জিরিবাম জেলায় বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন মেইতেইরা।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে জিরিবাম, ইম্ফল পূর্ব, ইম্ফল পশ্চিমে কারফিউ জারি করা হয়েছে। বেশ কয়েকটি জেলায় বন্ধ রাখা হয়েছে ইন্টারনেট।