ভারতের বিখ্যাত আজমীর শরীফের নিচে মন্দির আছে এমন দাবি করে আদালতে পিটিশন দায়ের করেছে হিন্দুত্ববাদী সংগঠন হিন্দু সেনা।
এ বিষয়ে নিম্ন আদালতে আবেদন জানিয়েছে হিন্দু সেনা সংগঠনের প্রধান বিষ্ণু গুপ্ত। আবেদনে তিনি বলেন, অযোধ্যা, কাশী ও মথুরার মতো আজমিরের ওই স্থানেও মুসলমানরা শিবমন্দিরের ওপর একটি উপাসনালয় গড়ে তোলেন। তার দাবি, সত্যতা নির্ধারণে ওই দরগাহস্থলের সমীক্ষা বা জরিপ করা জরুরি। একই সঙ্গে তার আবেদন, সেখানে হিন্দুদের উপাসনা করার অধিকারও দেয়া হোক।
তার আবেদনের ভিত্তিতে গতকাল বুধবার স্থানীয় দায়রা জজ মনমোহন চাণ্ডেল কেন্দ্রীয় সরকার, কেন্দ্রীয় সংস্থা আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়া (এএসআই) ও দরগাহ কমিটিকে নোটিশ পাঠিয়েছে। আগামী ২০ ডিসেম্বর এই আবেদনের শুনানী হবে।
আবেদনকারী বিষ্ণু গুপ্ত ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে বলেন, ১৯১০ সালে হরবিলাস সারদা নামের স্থানীয় এক বিচারক, রাজনীতিক ও শিক্ষাবিদ তার লেখা পুস্তকে শিবমন্দিরের অস্তিত্ব থাকার কথা জানিয়েছিলেন। তাতে লেখা হয়েছিল, আদিতে ওই স্থানে একটি শিবমন্দির ছিল। সেই মন্দিরের ওপরই গড়ে তোলা হয়েছে খাজা মইনুদ্দিন চিশতির দরগাহ।
আগামী বছরের জানুয়ারিতে আজমির শরিফ দরগাহ ৮১৩তম ওরস উদ্যাপন করবে। দরগাহর রক্ষণাবেক্ষণকারী সংস্থার সম্পাদক সৈয়দ সারোয়ার চিশতি গণমাধ্যমকে বলেন, মন থেকে না হলেও অযোধ্যা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের রায় তারা মেনে নিয়েছিলেন। কিন্তু দেখা যাচ্ছে, সেখানেই বিষয়টি থেমে নেই। কাশী, মথুরা ও সম্ভল ঘটে চলেছে। অথচ রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘের (আরএসএস) প্রধান মোহন ভাগবত বলেছিলেন, সব মসজিদে শিবলিঙ্গ খোঁজার কোনো প্রয়োজন নেই।
সূত্র: ইন্ডিয়ার এক্সপ্রেস।