কী কারণে ভেনেজুয়েলায় শক্তিশালী ভূমিকম্প?

আপডেট : ২৬ জুন ২০২৬, ১২:৪০ এএম

ভেনেজুয়েলা ল্যাটিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় এই দুটি টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থলে অবস্থিত ভেনেজুয়েলা। যা ভূকম্পন সক্রিয় অঞ্চল হিসেবে স্বীকৃত।

মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থার (ইউএসজিএস) তথ্য অনুযায়ী, বুধবার (২৪ জুন) আঘাত হানা দু’টি ভূমিকম্পের মধ্যে দ্বিতীয় এবং তুলনামূলকভাবে বড় ভূমিকম্পটি এই প্লেটগুলোর সীমান্তসংলগ্ন অঞ্চলে ‘অগভীর স্ট্রাইক-স্লিপ ফল্টিং’-এর কারণে ঘটেছে। সূত্র : বিবিসি

প্রতিবেদন অনুসারে, এটি এমন একটি পরিস্থিতি, যখন ফল্ট বা প্লেটগুলোর মধ্যকার ফাটলগুলো অনুভূমিকভাবে সরে যায়। এই সরে যাওয়া দ্রুত ঘটলে ভূমিকম্প সৃষ্টি হয়।
 
ইউএসজিএস বলেছে, ‘এই দুটি ভূমিকম্প ‘সম্ভবত একটি জটিল ভঙ্গুরতা-বিস্তার প্রক্রিয়ার ইঙ্গিত দেয়’।


 
তারা আরও যোগ করেছে, পরবর্তী ধাক্কা বা আফটারশক, যার মধ্যে ‘কিছু ক্ষেত্রে শক্ত কম্পনও থাকতে পারে’, এখনও ঘটার আশঙ্কা রয়েছে। 
 
ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার এবং স্থানীয় কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুসরণ করার আহ্বান জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।


 
বিবিসি জানায়, ভেনেজুয়েলায় বুধবার (২৪ জুন) সন্ধ্যায় এক মিনিটের ব্যবধানে আঘাত হানে শক্তিশালী দু’টি ভূমিকম্প। প্রথম ৭ দশমিক ২ মাত্রার ভূমিকম্পটির কেন্দ্র ছিল ইয়ারাকুয়ি অঙ্গরাজ্যের সান ফেলিপে। 

এর ৩৯ সেকেন্ড পর আরও শক্তিশালী একটি ভূমিকম্প হয়, যার মাত্রা ৭ দশমিক ৫ ছিল বলে মার্কিন জিওলজিক্যাল সার্ভে জানিয়েছে।

 দ্বিতীয় ভূমিকম্পটির কেন্দ্র ভেনেজুয়েলার ইউমারে শহর থেকে প্রায় ২৩ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত।
 
ইউএসজিএস বলছে, ভেনেজুয়েলায় ব্যাপক হতাহত ও বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। 

দ্বিতীয় প্রধান ভূমিকম্পের পর ১০ হাজারের বেশি প্রাণহানির আশঙ্কা ৪৪ শতাংশ এবং এক লাখের বেশি মানুষের প্রাণহানির আশঙ্কা ৩০ শতাংশ বলেও তারা জানিয়েছে।

HN
আরও পড়ুন