শিক্ষার মানোন্নয়ন ও দক্ষ জনশক্তি গঠনে সরকার কাজ করছে: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

আপডেট : ২৭ জুন ২০২৬, ০৬:০৯ পিএম

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়ালেখার পরিবেশ পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং শিক্ষার মানোন্নয়নে সরকার ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। 

শনিবার (২৭ জুন) সকালে রাজধানীর পল্লবী ডিগ্রি কলেজ প্রাঙ্গণে শিক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা ও দোয়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, শুধু ডিগ্রি অর্জন করলেই হবে না, সেই শিক্ষাকে বাস্তব জীবনে কাজে লাগিয়ে তরুণদের দক্ষ জনশক্তিতে পরিণত করতে হবে। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে বিভিন্ন এলাকায় প্রশিক্ষণকেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে দক্ষতা উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, শিক্ষা খাতে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনা, শিক্ষার মানোন্নয়ন, শিক্ষকদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং স্কুল-কলেজের অবকাঠামোগত উন্নয়নে সরকার ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে। পাশাপাশি প্রতিটি এলাকায় শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে স্থানীয় পর্যায়ে বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রমও চলমান রয়েছে।

আমিনুল হক আরও বলেন, উচ্চশিক্ষার সনদ অর্জনের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থানের উপযোগী করে গড়ে তুলতে দক্ষতা অর্জন অপরিহার্য। সে লক্ষ্যে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কর্মসূচির মাধ্যমে শিক্ষিত বেকার যুবকদের দক্ষ করে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হচ্ছে এবং পর্যায়ক্রমে আরও বেশি তরুণকে এ উদ্যোগের আওতায় আনা হবে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শৃঙ্খলা বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, কিছু অসাধু ব্যক্তি সব সময়ই বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করে। তাদের বিষয়ে শিক্ষক, অভিভাবক এবং স্থানীয় জনগণকে সতর্ক থাকতে হবে। কোনোভাবেই যাতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিবেশ নষ্ট না হয়, সে বিষয়ে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, কলেজ শুধু সরকারের নয়, এটি এলাকার সবার প্রতিষ্ঠান। তাই কলেজের উন্নয়ন, সুশৃঙ্খল পরিবেশ এবং শিক্ষার মান বৃদ্ধিতে স্থানীয় জনগণ, অভিভাবক ও শিক্ষকদের সম্মিলিত সহযোগিতা প্রয়োজন।

পল্লবী ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ জাহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলেজ গভর্নিং বডির সভাপতি মো. ইছাহাক (শিপন) এবং গভর্নিং বডির বিদ্যোৎসাহী সদস্য অ্যাডভোকেট আলী আশরাফ লিটন।

Attr/AHA
আরও পড়ুন