কর্ণফুলিতে জাহাজে অগ্নিকােন্ডে দগ্ধ প্রকৌশলী তামিমের মৃত্যু

আপডেট : ০৫ জুলাই ২০২৬, ০২:৪২ পিএম

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীতে একটি মাছ ধরার নৌযানে (ফিশিং ভেসেল) অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ প্রকৌশলী আশিকুজ্জামান তামিম মারা গেছেন।

রোববার (৫ জুলাই) ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ নিয়ে ওই অগ্নিকাণ্ডে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে তিনজনে।

নিহত আশিকুজ্জামান তামিমের বাড়ি চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলায়। রোববার বাদ আসর তার গ্রামের বাড়িতে জানাজা শেষে দাফন করার কথা রয়েছে।

এর আগে দগ্ধ ছয় নাবিকের মধ্যে গুরুতর আহত দুইজন-নৌযানটির গ্রিজার (ইঞ্জিন বিভাগের কারিগরি কর্মী) মো. রুবেল (৩৩) ও শাহ আলম (৩৮)-উন্নত চিকিৎসার জন্য গত মঙ্গলবার রাতে ঢাকায় নেওয়ার পথে মারা যান। অগ্নিকাণ্ডে তামিম, রুবেল ও শাহ আলম প্রায় শতভাগ দগ্ধ হয়েছিলেন। পরে তাদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে স্থানান্তর করা হয়।

জাহাজটির ক্যাপ্টেন জুবায়ের মাহমুদ জানান, গত মঙ্গলবার বেলা পৌনে ১টার দিকে কর্ণফুলী নদীতে নোঙর করা ‘এফভি দেশ’ নামের মাছ ধরার নৌযানে বিস্ফোরণের পর আগুন লাগে। এতে ‘এফভি দেশ’-এর ক্যাডেট প্রকৌশলী আশিকুজ্জামান তামিম, নাবিক মো. রুবেল ও শাহ আলম এবং পাশে নোঙর করা ‘এফভি ডিজনি’ নৌযানের নাবিক নিজাম উদ্দিন, মো. রাসেল ও ছিদ্দিক আহমেদ দগ্ধ হন।

দগ্ধ ছয়জনকে প্রথমে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে ভর্তি করা হয়। পরে প্রায় শতভাগ দগ্ধ তামিম, রুবেল ও শাহ আলমকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়। ঢাকায় নেওয়ার পথে রুবেল ও শাহ আলম মারা যান। পরে শনিবার রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তামিম।

অন্যদিকে, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা বাকি তিন নাবিক আশঙ্কামুক্ত হওয়ায় তাদের হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন হাসপাতালের বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের প্রধান মোহাম্মদ এস. খালেদ।

MCH/SN
আরও পড়ুন